বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) একের পর এক নাটক ঘটেই যাচ্ছে। নতুন নতুন নিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চারও হচ্ছেন অনেকে। এই যেমন দ্বি-স্তরের বিতর্কিত নির্বাচক কমিটি অনুমোদনের পরই প্রতিবাদ জানালেন ফারুক আহমেদ। পদত্যাগ করলেন তিনি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সফরে থাকা সাবেক এই অধিনায়ক জানিয়েছেন, দেশে ফিরলেই জমা দেবেন পদত্যাগপত্র।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর সঙ্গে বললেন, ‘দেখুন এই কাঠামোয় আমার পক্ষে কাজ করার সম্ভব হবে না। নির্বাচকদের কাজ হওয়া উচিত স্বাধীন। কিন্তু এখানে সেই স্বাধীনতাই থাকবে না আমাদের।’
জানা গেছে নতুন কাঠামোতে ফারুকদের নির্বাচক কমিটির নাম হয়ে যাচ্ছে নির্বাচক প্যানেল। আরেকটি থাকছে নির্বাচক কমিটি। যার আহবায়ক ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান। এখানে থাকবেন জাতীয় দলের কোচ ও ম্যানেজার এবং নির্বাচক প্যানেলের তিনজন।
তাইতো সরে যাওয়ার কথাই বললেন ফারুক। তার ব্যাখ্যা ‘সব মিলিয়ে বিশ্বাস করি, যে পদ্ধতি চালু করা হলো, কোনো ভাবেই এটি দেশের ক্রিকেটের জন্য মঙ্গলজনক হতে পারে না।’
আগামী মাসে দেশে ফিরবেন ফারুক আহমেদ। ফিরে পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন। আর দেরি হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র থেকেও পাঠিয়ে দিতে পারেন পদত্যাগপত্র।
এই মেয়াদে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এর আগে দায়িত্বে ছিলেন ২০০৩ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত।
এদিকে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানালেন, ফারুক যদি পদত্যাগ করতে চান, বোর্ড তাকে আটকাবেনা।
পাপন বললেন, ‘দেখুন, যদি ফারুক আহমেদ পদত্যাগ করে তাহলে বিসিবি তাকে আটকাবে না। তবে তার কাছ থেকে এখনো অফিশিয়ালি কোন ঘোষণা আমরা পাইনি। যখন আমরা অফিশিয়াল কোন কিছু পাবো তখন এ নিয়ে ভাববো।’ এর অর্থ ফারুক বিদায় নিলে বরং সন্তুষ্টই হবে বোর্ড।



