Thursday, August 27, 2026
Cricbd24
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • নিউজ
  • প্রোফাইল
  • রেকর্ড
  • ব্লগ
  • বাংলাদেশের যতো টেস্ট
  • র‌্যাংকিং
  • অনান্য খেলা
  • ইংরেজি
  • বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • নিউজ
  • প্রোফাইল
  • রেকর্ড
  • ব্লগ
  • বাংলাদেশের যতো টেস্ট
  • র‌্যাংকিং
  • অনান্য খেলা
  • ইংরেজি
  • বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)
No Result
View All Result
Cricbd24
No Result
View All Result
Home বিশেষ প্রতিবেদন

পূর্বাচলে নতুন স্বপ্ন, এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণে এগোচ্ছে বিসিবি

July 30, 2026
in বিশেষ প্রতিবেদন, মাঠের বাইরে, লিড স্টোরি, হেডলাইন সংবাদ
0 0
A A
অ্যাডহক কমিটির একাধিক সিদ্ধান্ত, নতুন দায়িত্বে তামিম
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু করার অনুমোদন দিয়েছে বোর্ড। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মানের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে দ্রুত কাজ শুরু হবে এবং আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গতকাল অনুষ্ঠিত বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। আমাদের বোর্ড মিটিং ছিল। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং আমি মনে করি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হচ্ছে আমরা এক্সিলেন্স সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। আমরা আজকে এটার অ্যাপ্রুভাল পেয়েছি এবং খুব দ্রুতই কাজ শুরু হবে। আপনারা জানেন যে কয়েক বছর আগে পপুলাস এটার ডিজাইন করেছিল। গত ২২ তারিখে তাদের ইনভাইট করে একটি মিটিং করা হয়েছে। তাদের ডিজাইনে এক্সিলেন্স সেন্টার এবং স্টেডিয়ামের যে বিষয়গুলো আছে, সেখানে কিছু পরিবর্তনের কথা আমি আগের প্রেস কনফারেন্সেও বলেছিলাম।’

তামিম জানান, আগে করা নকশা তাঁর কল্পনায় থাকা আধুনিক এক্সিলেন্স সেন্টারের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান পপুলাসকে নতুন করে নকশা তৈরির অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি। একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে বকেয়া অর্থ পরিশোধের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমি যে এক্সিলেন্স সেন্টারের স্বপ্ন দেখি, সেটার সাথে আগের ডিজাইনটি পুরোপুরি ম্যাচ করছিল না। তাই আমরা পপুলাসকে রিকোয়েস্ট করেছি এটি রি-ডিজাইন করতে। তাদের সাথে ৯ লাখ ডলারের একটি পেমেন্ট পেন্ডিং ছিল, সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ডিজাইন পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। তবে বোর্ড একমত হয়েছে যে বিসিবির ফান্ড ব্যবহার করে আমরা এই এক্সিলেন্স সেন্টারটি কমপ্লিট করব। স্টেডিয়ামের জন্য আমাদের সরকারি ফান্ডের প্রয়োজন হবে। ২০৩১ সালে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ আছে, যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্পোর্টিং ইভেন্ট। পূর্বাচল স্টেডিয়াম সেই বিডিং প্রসেসের অংশ ছিল। আমরা সরকারের সাথে আলোচনা শুরু করেছি এবং দ্রুতই ফান্ডিং সিকিউর করার চেষ্টা করব।’

তামিমের মতে, শুধু জাতীয় দলের ফলাফল নয়, ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের অনুশীলন সুবিধা গড়ে তোলাও বোর্ডের অন্যতম দায়িত্ব। এজন্য প্রকল্পটির নকশা ও বিভিন্ন সুবিধা নির্ধারণের কাজেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত রয়েছেন।

বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘অনেক সময় প্রসেসের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ডিসিশন নিতে দেরি হয়। কিন্তু আমাদের এই বোর্ড গত কয়েক মাসে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এই এক্সিলেন্স সেন্টারটি আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা আছে। সেখানে বিসিবি অফিসসহ সব ধরনের ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ফ্যাসিলিটি থাকবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটার ডিজাইনিং এবং ফ্যাসিলিটির সাথে ইনভলভড আছি কারণ আমি চাই বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সেরাটা দিতে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় মাইলফলক হবে। অনেক সময় বোর্ডকে শুধু জয়-পরাজয় দিয়ে বিচার করা হয়, কিন্তু ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টও আমাদের বড় দায়িত্ব। গত কয়েক বছরে ফ্যাসিলিটিজ নিয়ে কাজ কম হয়েছে কারণ হয়তো ফোকাস ছিল শুধু খেলার দিকে। আমার কাছে সবচেয়ে জরুরি হলো ফিউচার ক্রিকেটারদের জন্য ফ্যাসিলিটি তৈরি করা।’

প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় এখনই নির্দিষ্ট করে বলতে চান না তামিম। তাঁর ভাষায়, নতুন নকশা ও সুযোগ-সুবিধার ওপরই চূড়ান্ত বাজেট নির্ভর করবে।

তিনি বলেন, ‘আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে শেষ করার আশা করছি। বাজেটের বিষয়টি এখনই বলা কঠিন কারণ পপুলাস কিছু চেঞ্জ নিয়ে আসবে। স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ফ্যাসিলিটির ওপর বাজেট ডিপেন্ড করে। আগে থেকে একটি অ্যামাউন্ট বলে দিলে পরে কন্ট্রোভার্সি তৈরি হতে পারে। তবে আমরা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের ইনডোর এবং এসি ফ্যাসিলিটি নিশ্চিত করব। এটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ।’

পপুলাসের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি নিয়েও অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তামিম। তাঁর মতে, নকশা চূড়ান্ত করার আগে উভয় পক্ষের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘পপুলাসের সাথে বিসিবির একটা চুক্তি ছিল। পেমেন্ট নিয়ে যেটা হয় সেটা ৩ ভাগে। যদিও আমরা প্রসেসের মধ্যে ছিলাম না। আমাদের কাছে মনে হয়েছে আমাদের আলোচনা করা দরকার। কারণ লুকোচুরি তো করতে পারব না। আমরা ভেবেছি ওরা আসুক। আমরা কীভাবে পছন্দ করি বা না করি সে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিতে হবে। আমি জানি না ফান্ড পাব কিনা, কত দ্রুত পাব। সরকার বিবেচনা করবে ফান্ড দিবে কিনা। যত দ্রুত ফান্ড পাব তত দ্রুত কাজ শুরু করব।’

২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক বাংলাদেশ ও ভারত। এছাড়া ২০২৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং এশিয়া কাপ আয়োজনের দায়িত্বও রয়েছে বাংলাদেশের। এসব আন্তর্জাতিক আসরকে সামনে রেখে মিরপুরের পাশাপাশি পূর্বাচলেও আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু গড়ে তুলতে চায় বিসিবি। প্রাথমিকভাবে এই স্টেডিয়ামের নাম রাখা হয়েছে ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এনসিজি)।

Related Posts

হতাশার একদিন বাংলাদেশের
বিশেষ প্রতিবেদন

হতাশার একদিন বাংলাদেশের

0
৬৪ রানে ধস, এরপর শরীফুলের তাণ্ডব-প্রথম দিনেই ১৮ উইকেট
বিশেষ প্রতিবেদন

বুমরাকে সরিয়ে স্টার্ক এক নম্বরে, ১৭ ধাপ লাফ শরীফুলের

0
ফিরলেন সাইফউদ্দিন, নেই সাকিব-মুস্তাফিজ
বিশেষ প্রতিবেদন

বিপদে পড়েই রিশাদ-সাইফকে ডাক!

0
  • যোগাযোগ

Copyright © 2020 cricbd24.com All right reserved. Developed by WEBSBD

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • নিউজ
  • প্রোফাইল
  • রেকর্ড
  • ব্লগ
  • বাংলাদেশের যতো টেস্ট
  • র‌্যাংকিং
  • অনান্য খেলা
  • ইংরেজি

Copyright © 2020 cricbd24.com All right reserved. Developed by WEBSBD