পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান প্রথম টেস্টে নিজের ৩৯তম জন্মদিনটা স্মরণীয় করে রাখলেন মুশফিকুর রহিম। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর আগে সতীর্থদের সঙ্গে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। এরপর ব্যাট হাতে মাঠে নেমে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
আজকের এই ফিফটির মাধ্যমে নতুন এক রেকর্ডও গড়েছেন মুশফিক। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস খেলার কীর্তিতে এতদিন যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন তামিম ইকবাল ও মুশফিক, দুজনেরই ছিল ৪২টি করে ইনিংস। শনিবার শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে সিঙ্গেল নিয়ে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করার সঙ্গে সঙ্গে তামিমকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষে উঠে যান মুশফিক। বাংলাদেশের আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হকের নামের পাশে রয়েছে ৩৯টি পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস।
প্রথম দিনের খেলা শেষে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে পূর্ণ করেন ফিফটি। অন্যদিকে লিটন দাসও ইতিবাচক শুরু করেছিলেন। শাহিন আফ্রিদির এক ওভারে টানা তিনটি চার হাঁকান তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। একবার জীবন পাওয়ার পরও মুহাম্মদ আব্বাসের বলে বিলাসী শট খেলতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৬৭ বলে ৩৩ রান করে।
এরপর মেহেদি হাসান মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। একটি চার ও একটি ছক্কায় ১০ রান করার পর ইমাম-উল-হকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনিও। আব্বাসের শিকার হন এই অলরাউন্ডার।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মুশফিক ১৬৮ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৬৯ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩৭৮ রান। এর আগে প্রথম দিনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০১ রান করে ফিরেছেন। আরেক সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে ৯১ রানে আউট হন মুমিনুল হক।
জন্মদিনের ইনিংসটিকে আরও বড় করার সুযোগ রয়েছে মুশফিকের সামনে। বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে ১০০’র বেশি টেস্ট খেলা এই অভিজ্ঞ ব্যাটার টানা তিন ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ রান করার কীর্তিও গড়েছেন। গত বছর নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তার আগের দুই ইনিংস ছিল ৫৩ অপরাজিত ও ১০৬ রানের।









Discussion about this post