দেশজুড়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গন থেকেও উঠছে প্রতিবাদের আওয়াজ। জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাওহিদ হৃদয় এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে নির্যাতন করেন, যার ফলে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে, তবে অভিযুক্ত এখনও গ্রেপ্তার হয়নি-এ বিষয়টিই আরও বেশি ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় হৃদয় তার ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ ঝেড়েছেন। আজ তিনি লিখেছেন, ‘নিউজফিডে গিয়ে চোখ আটকে গেল। ১১ বছরের একটি শিশুর ভেতরে আরেকটি প্রাণ, অথচ অপরাধী এখনো আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এ ধরণের নরপশুদের প্রকাশ্যে বীভৎস শাস্তি হওয়া উচিৎ, যেন অন্যরা আর এ ধরণের অপরাধ করতে না পারে।’
শুধু শাস্তির দাবি নয়, সমাজের নৈতিক অবস্থান নিয়েও কথা বলেছেন এই ক্রিকেটার। তার ভাষায়, ‘কুরআন ও হাদীসের আলোকে, আল্লাহ তাআলা যার ওপর সন্তুষ্ট থাকেন, তাকেই কন্যা সন্তান দান করেন। যেখানে কন্যা কিংবা নারী স্বয়ং আল্লাহ পাকের নেয়ামত হিসেবে ধরা হয়, সেখানে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করার আগেও আমাদের দ্বিতীয়বার ভাবা উচিৎ। আল্লাহপাক আমাদের নফসের হেফাজত করুক। আল্লাহুম্মা আমিন।’









Discussion about this post