দলের পারফরম্যান্স, বিতর্কিত দল নির্বাচন এবং ব্যক্তিগতভাবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন জাতীয় দলের সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তবে তার বক্তব্যের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক ছিল-সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতি এবং তার কারণে দলের ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারার কষ্টের প্রকাশ।
সালাউদ্দিন স্পষ্ট করে বলেন, সাকিব ছিলেন এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি একই সঙ্গে ব্যাটিং ও বোলিং-দুই ভূমিকাতেই পারদর্শী, ‘সাকিব থাকলে একটা লাক্সারি থাকত, চাইলে এক্সট্রা ব্যাটার বা বোলার খেলাতে পারতাম। এখন সেটা নেই।’
তিনি আরও বলেন, সাকিব না থাকায় দল ভারসাম্য রাখতে গিয়ে প্রতিদিন নতুন সমীকরণে পড়ে যাচ্ছে। একেক ম্যাচে একেকজন খেলোয়াড়কে খেলানো হচ্ছে, যা দলীয় স্থিতিশীলতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই কঠিন সময়ে আবার কোচিং স্টাফদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠছে। এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে সালাউদ্দিন বলেন, ‘ভালো না করলে সমালোচনা হবে, মেনে নিচ্ছি। তবে যদি অভিযোগ করেন, প্রমাণ দিন। অভিযোগ শুধু বললেই হবে না।’
সালাউদ্দিন মনে করেন, তার সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা অযৌক্তিক, ‘আমি ভালো কোচ নাও হতে পারি, কিন্তু নিজের জায়গায় শতভাগ সৎ। বোর্ড যদি মনে করে দরকার নেই, সরিয়ে দেবে।’ স্বজনপ্রীতির অভিযোগের জবাব, ‘দল হারছে, ফেভারিটিজম করে কী পাব?’ জাতীয় দলে স্বজনপ্রীতির অভিযোগেরও জবাব দিয়েছেন সালাউদ্দিন, ‘দল যখন জিতছে না, তখন কারও জন্য বিলাসিতা করে আমি কী পাব? এটা তো আমার ব্যক্তিগত দল না। আমি চাই দল জিতুক। ভালো খেলোয়াড় খেলুক।’
দলে নিয়মিত পরিবর্তন, ইনজুরি এবং ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়েও কথা বলেন সালাউদ্দিন। ‘তাসকিনকে টানা খেলানো যাবে না, কারণ সে বড় ইনজুরি থেকে ফিরেছে। পেসারদের ফিটনেস দেখেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।’
সালাউদ্দিন জানান, সাকিবের জায়গা অন্য কেউ নিলে সেটা সময়সাপেক্ষ, ‘একজন খেলোয়াড় দিয়ে সাকিবকে বদলানো যাবে না। হয় দুইজন লাগবে, নয়তো অন্যদের পারফরম্যান্সে সেটার ঘাটতি পূরণ করতে হবে।’
Discussion about this post