বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও তার দল পুরো নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। ‘সম্মিলিত পরিষদ প্যানেল’ নাম নিয়ে নির্বাচনে নামা তার অনুসারীদের এক শোডাউন হয়ে গেল রোববার দুপুরে রাজধানীর এক হোটেলে। আবাহনী লিমিটেডের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান ও ঢাকা জেলার কাউন্সিলর হয়ে আসা বিসিবির প্রথম সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর হোসেন পল্টুও হাজির ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে।
দুই ঘণ্টার ওই অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের তিন মনোনীত পরিচালক বাদে নির্বাচনে তিন ক্যাটাগরির ২৩ প্রার্থী নির্বাচন করবেন। দুই ক্যাটাগরির প্রার্থীর নাম ঘোষণা না করলেও ঢাকার ক্লাবগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা জানিয়ে দিয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন। তার পরিষদের ১৪ জন হলেন-আফজালুর রহমান সিনহা, এনায়েত হোসেন সিরাজ, মাহবুব আনাম, আহমেদ ইকবাল হাসান, আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি, জালাল ইউনুস, লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, হানিফ ভূঁইয়া, নাজিব আহমেদ, শওকত আজিজ রাসেল, নাজমুল করিম টিংকু, গাজী গোলাম পাপ্পা, ইসমাইল হায়দার মল্লিক ও তানজিল চৌধুরী।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায় আসবেন পাপন। ২৫ পরিচালক পর্ষদের ২৩ জন সরাসরি নির্বাচিত হয়ে এলেও তিনজন আসবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায়। এনএসসি সরকারের প্রতিষ্ঠান। যার প্রধান খোদ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী স্বয়ং। নাজমুল হাসান পাপন বলেন-‘১৫ জনের প্যানেল (এনএসসির কোটার তিনজনসহ) হতে পারে। কিন্তু আমি ১৪ জনের নাম ঘোষণা করলাম। আর একজন কে আপনারা বুঝে নিন।’ তবে প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানের কথা প্রসঙ্গে তিনি স্বীকার করে বলেছেন, ‘বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধনের দরকার আছে। আমি বোর্ড প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে এমন গঠনতন্ত্র তৈরির চেষ্টা করব, যা সর্বজন গ্রহণযোগ্য হবে। আমি গঠনতন্ত্র সংশোধনে সবার মতামত নেব।’
নাজমুল হাসানের দাবী ঢাকার বেশিরভাগ ক্লাবই তার সঙ্গে আছে। এ কথা জানাতেও দ্বিধা নেই তার। আর সে কারণেই বলেছেন, ‘ঢাকার ক্লাবগুলোর সাড়া দেখে আমি যারপারনাই অভিভূত। বেশিরভাগ সময়ই আমি বলে এসেছি ৬৮ ক্লাবের ৩১-৩২টি ক্লাব আছে আমাদের সঙ্গে। কিন্তু এখন দেখি ৪২ ক্লাব একজোট। আমাদের সঙ্গেই আছে তারা।’



