অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপের মঞ্চে যাত্রা শুরু হলো হতাশা দিয়ে। বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১৮ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে ভারত। খেলার মাঝপথে একাধিকবার বৃষ্টি হানা দেওয়ায় ম্যাচের ওভার ও লক্ষ্য বারবার বদলে যায়। শেষ পর্যন্ত ভারত ৪৮ ওভার ৪ বলে সব উইকেট হারিয়ে ২৩৮ রান সংগ্রহ করে। বাংলাদেশের সামনে শুরুতে লক্ষ্য ছিল ৪৯ ওভারে ২৩৯ রান, যা পরে কমে দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ১৬৬ রানে।
বাংলাদেশের পেসার আল ফাহাদ ম্যাচের শুরুতেই আঘাত হানেন। মাত্র ১২ রানের মধ্যে আয়ুশ মাহাত্রে ও ভিদান্ত ত্রিভেদীর উইকেট হারায় ভারত। এরপর ভিহান মালহৌত্র ফিরে গেলে স্কোর দাঁড়ায় ৫৩ রানে তিন উইকেট।
সংকটের মুহূর্তে দলের দায়িত্ব নেন বৈভব সূর্যবংশী ও অভিজ্ঞান কুন্ডু। সূর্যবংশী ৬৭ বলে ৭২ রান করে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। অন্যদিকে কুন্ডু ধৈর্য ধরে খেলেন ১১২ বলে ৮০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। এই জুটির ওপর ভর করেই সম্মানজনক সংগ্রহ পায় ভারত।
বাংলাদেশের হয়ে আল ফাহাদ নেন ৫ উইকেট। ইকবাল হোসেন ইমন ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম নেন দুটি করে উইকেট।
সংশোধিত লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতেই জাওয়াদ আবরারকে হারায়। এরপর রিফাত বেগকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক তামিম। রিফাত ৩৭ বলে ৩৭ রান করে ফিরে গেলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালান তামিম।
৭২ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। কিন্তু তার বিদায়ের পর ইনিংসে ভাঙন নামে। দ্রুত রান তুলতে গিয়ে ব্যাটাররা একের পর এক উইকেট হারাতে থাকেন।
শেষ পর্যন্ত ২৮ ওভার ৩ বলে ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। ডিএলএস পদ্ধতিতে ফলে ভারতের জয় দাঁড়ায় ১৮ রানে। ভালো বোলিংয়ের পরও ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা না থাকায় বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দলকে।










Discussion about this post