বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে চলা গুঞ্জনের শেষ হলো আজ। আলোচিত প্রার্থী ও সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। আজ সকাল দশটার দিকে মিরপুরে উপস্থিত হয়ে তিনি প্রার্থিতা বাতিল করেন। দুপুর ১২টার মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় থাকলেও, তামিমের সিদ্ধান্ত আগেই নির্বাচনী মাঠের চিত্র পাল্টে দেয়।
তফসিল অনুযায়ী আজই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন, আজ প্রকাশ করার কথা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। গতকাল রাতে জরুরি সভায় বসেন ক্লাবগুলোর প্রতিনিধিরা। তখনই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে তামিমের।
তৃতীয় বিভাগ বাছাই ক্রিকেট থেকে উঠে আসা ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলর বা প্রতিনিধির নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি সৈয়দ হাসান যুবায়েরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার রুলসহ এ আদেশ দেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা, বিভাগ ও ক্লাব সংগঠকদের একটি পক্ষ নির্বাচনের জন্য জেলা ও বিভাগের কাউন্সিলরদের নাম পাঠানোয় সরকারি হস্তক্ষেপ ও বিসিবি সভাপতির ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেন তামিম।
আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন মূলত তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ হয়ে হচ্ছে। জেলা ও বিভাগ থেকে নির্বাচিত হবেন ১০ জন, ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে ১২ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়-সংস্থা থেকে একজন পরিচালক। এর মধ্যেই সবচেয়ে আলোচিত হয়ে উঠেছে ক্লাব ক্যাটাগরি, যেখানে ১৫টি বিতর্কিত ক্লাবকে ভোটাধিকার দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই সংকট তৈরি হয়েছিল।
চাপ, বিভাজন এবং রাজনৈতিক সমঝোতার টানাপোড়েন মিলিয়েই শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়ালেন তামিম ইকবাল।










Discussion about this post