চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে শুরুতেই ধাক্কা খেলেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড। টিম রবিনসনের আগাম বিদায়ের পর কেতেন ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভার এমন এক জুটি গড়েন, যা পুরো ইনিংসের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। দুজনের ব্যাটে সমান ৫১ রানের ঝলমলে ইনিংস আসে ভিন্ন ভিন্ন গতিতে, কিন্তু প্রভাব ছিল একই—বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে চাপে ফেলা। তাদের ৮৮ রানের জুটি নিউজিল্যান্ডকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে দেয়।
মাঝের ওভারগুলোতে কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে কিউইদের রান তোলার গতি। কয়েকটি দ্রুত উইকেট হারিয়ে এক সময় মনে হচ্ছিল ২০০ ছোঁয়া হয়তো কঠিন হবে। তবে শেষদিকে অধিনায়ক নিক কেলি দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে আবারও গতি ফেরান। তার ৩৯ রানের ইনিংস এবং জশ ক্লার্কসনের কার্যকর অবদান মিলিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮২ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড।
বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন দুই উইকেট নিয়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনলেও সামগ্রিকভাবে বোলারদের ওপর চাপ ছিল স্পষ্ট। এখন ম্যাচের ভাগ্য নির্ভর করছে ব্যাটারদের ওপর, কারণ এই লক্ষ্য তাড়া করতে হলে টাইগারদের ছাড়িয়ে যেতে হবে নিজেদের অতীত সীমাবদ্ধতা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এর আগে এত বড় রান তাড়া করে জয়ের অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশের, ফলে এই ম্যাচ শুধু একটি জয়ের লড়াই নয়, বরং রেকর্ড গড়ারও সুযোগ।








Discussion about this post