দিল্লির উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের যাত্রা দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে এই সফরের প্রভাব সীমাবদ্ধ থাকছে না কূটনৈতিক মহলে, বরং দেশের ক্রীড়াঙ্গনেও তৈরি হয়েছে নতুন আশাবাদ।
গত কিছু সময় ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েনের নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে ক্রিকেটে। নির্ধারিত সফর বাতিল হওয়া থেকে শুরু করে আঞ্চলিক টুর্নামেন্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা-সব মিলিয়ে দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্ক অনেকটাই দূরত্বে সরে যায়। এর মধ্যে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভায় ভারতের অনুপস্থিতি এবং পরবর্তী ভার্চুয়াল অংশগ্রহণ পরিস্থিতির জটিলতাই বাড়িয়েছিল।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলের দল থেকে বাদ দেওয়া এবং এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া ও কূটনীতির সম্পর্ক কতটা গভীরভাবে জড়িয়ে আছে, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এমনকি বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চ থেকেও বাংলাদেশকে সরে দাঁড়াতে হয়, যা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন করে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। বিসিবি মনে করছে, কূটনৈতিক অগ্রগতি হলে মাঠের সম্পর্কও স্বাভাবিক পথে ফিরবে। সেই লক্ষ্যেই ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ সফর ও টুর্নামেন্ট নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
আগামী সেপ্টেম্বরে সম্ভাব্য ভারত সফর এবং পরের বছর এশিয়া কাপ আয়োজনকে সামনে রেখে বিসিবির তৎপরতা বেড়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে আরও বেশি ক্রিকেটীয় বিনিময় কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিক সাড়া এখনো আসেনি।



