কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখিয়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। নামিবিয়ার বিপক্ষে জিতলেই পরের পর্ব, হারলেই বিদায়-এমন সমীকরণ সামনে নিয়েই মাঠে নামে তারা। আর সেই চ্যালেঞ্জে দারুণভাবে উতরে গিয়ে ১০২ রানের বড় জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।
টসে জিতে আজ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব সতর্ক সূচনা করেন। যদিও সাইম ১২ বলে ১৪ রান করে ফিরলে কিছুটা ধাক্কা খায় দল, তবে পাওয়ারপ্লেতে রান ওঠে সন্তোষজনক গতিতে। তিন নম্বরে নেমে অধিনায়ক সালমান আলী আঘা ইনিংসের গতি বাড়ান। ফারহানের সঙ্গে তার জুটি পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেয়। ২৩ বলে ৩৮ রান করে থামেন সালমান।
শুরুর দিকে খানিকটা সময় নিয়ে খেলেন ফারহান। প্রথম ৩০ রান আসে ২৭ বলে। এরপরই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে শুরু করে নামিবিয়ার বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন তিনি। চার ও ছক্কার বন্যায় দ্রুত এগিয়ে যান শতকের দিকে। ৫৭ বলে শতক পূর্ণ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের দ্রুততম শতকের কৃতিত্ব গড়েন তিনি। ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ৪টি ছক্কা।
শেষদিকে শাদাব খান ২২ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে স্কোরকে নিয়ে যান ১৯৯ রানে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নামিবিয়া। দুই ওপেনার কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতে পারেননি বাকিরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৭ ওভার ৩ বলেই ৯৭ রানে অলআউট হয়ে যায় দলটি। শেষ ৮ উইকেট পড়ে মাত্র ৫৪ রানের ব্যবধানে।
পাকিস্তানের হয়ে উসমান তারিক ৪ উইকেট নিয়ে ধস নামান প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে। শাদাব খান নেন ৩টি উইকেট। একটি করে উইকেট পান সালমান মির্জা ও মোহাম্মদ নওয়াজ। ব্যাট ও বল-দুই বিভাগেই সমান সাফল্যে বড় জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।



