জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দল যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই নিশ্চিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি। দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস এবং অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদকে দেখা যাবে না সিরিজটিতে। কারণ, দুজনই শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি আসর লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনাপত্তিপত্র পেয়েছেন।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশকে মাঠে নামতে হবে দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে ছাড়াই। বিশেষ করে লিটনের অনুপস্থিতি নেতৃত্বের প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে। চোটের কারণে তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজেও দলের বাইরে রয়েছেন। সেই পুনর্বাসন পর্ব শেষ না হতেই তার এলপিএলে খেলার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
তাসকিন আহমেদও জাতীয় দলের জার্সির বদলে এই সময়টায় ব্যস্ত থাকবেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হয়ে ওঠা এই পেসারের অনুপস্থিতি জিম্বাবুয়ে সিরিজে নিশ্চয়ই অনুভূত হবে।
তবে শুধু লিটন ও তাসকিন নন, বিসিবি আরও তিন ক্রিকেটারকে এলপিএলে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের একজন সাকিব আল হাসান, অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ এবং পেসার হাসান মাহমুদ।
১৭ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এবারের লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ। এই সময়টায় বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে মাঠে নামবেন বাংলাদেশের তারকারা। জাফনা কিংস দলে একসঙ্গে খেলবেন সাকিব আল হাসান ও তাসকিন আহমেদ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহুবার একসঙ্গে ম্যাচ জেতানো এই দুই ক্রিকেটার এবার একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে সাফল্যের খোঁজে নামবেন।
অন্যদিকে গল গ্ল্যাডিয়েটর্সে জায়গা পেয়েছেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট ও বল হাতে বাংলাদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ পারফর্মারকে একই দলে পাওয়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বাড়তি শক্তি পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের হয়ে ব্যস্ত সময় কাটানো হাসান মাহমুদও এলপিএলে নিজের উপস্থিতি জানান দেবেন। তিনি খেলবেন কলম্বো স্ট্রাইকার্সের হয়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত সুযোগ পাওয়া হাসানের ক্যারিয়ারে এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য এলপিএল এখন শুধু একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট নয়, বরং নিজেদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার বড় একটি মঞ্চ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং একই ড্রেসিংরুমে সময় কাটানোর সুযোগ তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।









Discussion about this post