মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে বাংলাদেশ দল। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা টাইগাররা যখন সিলেট টেস্ট সামনে রেখে নতুন উদ্দীপনায় প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখনই এলো বড় ধাক্কা। চোটের কারণে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিসিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম টেস্ট চলাকালীন ক্যাচ ধরতে গিয়ে বুকে আঘাত পান সাদমান। সেই চোটই এখন তাঁকে মাঠের বাইরে ঠেলে দিয়েছে। জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘মিরপুরে প্রথম টেস্ট চলাকালীন ক্যাচ ধরতে গিয়ে সাদমানের বুকে আঘাত লাগে। তাঁর বুকে ট্রমাটিক কনটিউশন (আঘাতজনিত ক্ষত) হয়েছে এবং তিনি ব্যথায় ভুগছেন। দুর্ভাগ্যবশত দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে পাওয়া যাবে না।’
প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে খুব বেশি সফল ছিলেন না এই বাঁহাতি ওপেনার। দুই ইনিংসে করেছেন ১৩ ও ১০ রান। তবে দলের ভারসাম্যের জায়গা থেকে তাঁর অনুপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে সিলেটের উইকেটে শুরুটা ভালো করা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। সেখানে অভিজ্ঞ একজন ওপেনারের না থাকা বাংলাদেশের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
চোটের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় সিলেটে অনুশীলনের সময়। ব্যাটিং করতে নেমে কয়েকটি বল খেলেই অস্বস্তি অনুভব করেন সাদমান। পরে অনুশীলন মাঝপথে ছেড়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান। তখন থেকেই দ্বিতীয় টেস্টে তার খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
সাদমানের জায়গায় দলে ফিরেছেন জাকির হাসান। দীর্ঘ বিরতির পর আবার টেস্ট দলে সুযোগ পেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে খেলেছিলেন তিনি। ইতোমধ্যে তাঁকে সিলেটে নিয়ে আসা হয়েছে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য।
তবে শুধু জাকিরই নন, ওপেনিংয়ে নতুন চমক হিসেবেও দেখা যেতে পারে তানজিদ হাসান তামিমকে। তরুণ এই ব্যাটারের টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত তানজিদ এবার লাল বলের মঞ্চেও সুযোগ পেতে পারেন।









Discussion about this post