বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) শেন জার্গেনসন ‘না’ বলে দিয়েছিলেন ২৮ এপ্রিল। এরপর গত সোমবার বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকেও জানিয়ে দেন-সিতান্ত থেকে সরে দাড়াবেন না তিনি। দ্বায়িত্ব ছাড়লেও কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকী ছিল। সেসবই সারতে বুধবার এই অস্ট্রেলিয়ানকে দেখা গেল মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে।
বাংলাদেশের সদ্য বিদায়ী এই কোচ জানালেন, ‘সহকর্মীদের কাছ থেকে বিদায় নিতে এসেছি। দেখুন মিরপুরের ভীষণ পরিচিত এ মাঠকেও সম্ভবত শেষবারের মতো দেখছি। বিদায়ের সব কাগজ-পত্র গোছগাছ করা হচ্ছে। এখন দেশে ফেরার জন্য ফ্লাইট ধরার চিন্তা।’ তবে জানালেন, ভবিষ্যতে সময়-সুযোগ হলে বাংলাদেশের কোচ হতে পারেন তিনি।
বিদায় বেলায় জার্গেনসন বললেন এখানকার অনেক কিছুই তিনি মিস করবেন। বলছিলেন, ‘সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা আমি মিস করব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও এখানকার দর্শকদের সমর্থন। চলে যাওয়ার সময়টায় অনেক কিছু মনে পড়ছে। সম্ভবত আমি একটু বেশি আবেগী হয়ে পড়ছি। কিন্তু জীবন এমনই।’
জানালেন অনেক স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বলছিলেন, ‘সাজঘরে আমাদের মধ্যে অনেক মজার সব ঘটত। তার মধ্যমণি হয়ে থাকত সবসময় মাশরাফি বিন মর্তুজা। ও দারুণ কৌতুকপ্রিয় ক্রিকেটার। বাংলাদেশের হয়ে দুটি জয়ের কথা কখনই ভুলতে পারব না আমি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম জয়। দ্বিতীয়টা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিম্বাবুয়েতে টেস্ট জয়।’
একইসঙ্গে বিদায় বেলায় শুভকামনাও থাকল জার্গেনসনের। জানালেন, ‘আমার বিশ।বাস বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা আগামী পাঁচ বছরে তাদের সেরা সময়টায় পৌঁছবে। এ মুহুর্তে ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের আগে পুরো দলটার বিশ্রাম দরকার। দলের সবার জন্য শুভকামনা থাকল আমার।’
রেকর্ডে জারগেনসেন যুগ
ম্যাচ জয় হার ড্র/পরিত্যাক্ত
ওয়ানডে ২১ ৮ ১২ ১
টেস্ট ৯ ১ ৪ ৪
টি-টুয়েন্টি ১৪ ৩ ১১ ০



