মাত্র ১৫ বছর ১১৮ দিন বয়সেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়লেন ভারতের তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাত্র ১৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে অর্ধশতকের বিশ্ব রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ভেঙেছেন নেপালের কুশল মাল্লা এবং ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের দীর্ঘদিনের রেকর্ড। সূর্যবংশীর ঝড়ো ইনিংসে ভর করে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে শুভসূচনা করেছে ভারত।
এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল নেপালের কুশল মাল্লার দখলে। ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ওয়ানডেতে তিনি ১৫ বছর ৩৪০ দিন বয়সে ফিফটি করেছিলেন। সূর্যবংশী সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলেন। ১৬ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাফ সেঞ্চুরি করার কীর্তি এখন কেবল এই দুই ক্রিকেটারেরই!
ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও এতদিন ছিল শচীন টেন্ডুলকারের। ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ফয়সালাবাদ টেস্টে ৫৯ রানের ইনিংস খেলার সময় শচীনের বয়স ছিল ১৬ বছর ২১৩ দিন। প্রায় ৩৭ বছর পর সেই রেকর্ডও ভেঙে দিলেন সূর্যবংশী।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুটা অবশ্য খুব একটা উজ্জ্বল ছিল না এই বাঁহাতি ওপেনারের। গত ৪ জুলাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে তিনি করেছিলেন ১৪ রান। পরের দুই ইনিংসে তার ব্যাট থেকে আসে ১৩ ও ১৫ রান। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি।
১২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হন সূর্যবংশী। মাত্র ১৮ বলে চারটি চার ও চারটি ছক্কায় তুলে নেন দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি। তবে অর্ধশতক পূরণের পরের বলেই আউট হয়ে যান তিনি। ততক্ষণে ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে গেছেন এই কিশোর ওপেনার।
সূর্যবংশীর বিস্ফোরক ইনিংসের সুবাদে ভারত সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ৪০ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। নতুন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বেও এটি ভারতের প্রথম জয়!










Discussion about this post