মিরপুর টেস্টের প্রথম সেশনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়ে স্বস্তির অবস্থানে বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতিতে ২ উইকেটে ৯৬ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা। শুরুতে দুই পেসার জেডন সিলস ও শামার জোসেফের গতিময় বোলিংয়ে চাপে পড়লেও সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তবে সেশনের শেষ দিকে মুমিনুলের বিদায়ে কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই বিরতিতে যেতে হয়েছে দলকে।
মিরপুরের উইকেটে শুরু থেকেই বাংলাদেশের ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই পেসার সিলস ও জোসেফ। তাঁদের নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেন্থ ও গতির সামনে শুরুতে স্বচ্ছন্দ ছিলেন না দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাদমান ইসলাম। প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ১৯ রান তুলতেই একটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সিলসের বলে জাস্টিন গ্রিভসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৭ রান করে ফেরেন তামিম।
প্রথম উইকেট হারানোর পর দলের ওপর চাপ বাড়লেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামাল দেন সাদমান ও মুমিনুল। শুরুতে সতর্ক থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সাবলীল হয়ে ওঠে তাঁদের ব্যাটিং। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনের ৫৯ রানের জুটি বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরায়। ২০ ওভার শেষে এক উইকেটে ৬৫ রান তুলে স্বস্তি ফিরে পায় স্বাগতিক শিবির।
তবে ভালো অবস্থান তৈরির পরও জুটি ভাঙার ধাক্কা সামলাতে হয়েছে বাংলাদেশকে। জোমেল ওয়ারিকানের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে শট খেলতে গিয়ে ব্যাটে-বলে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি মুমিনুল হক। মিড অফে শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৮২তম টেস্ট খেলতে নামা অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ২৮ রান করেন। তাঁর বিদায়ে ৬৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
মুমিনুলের আউটের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন সাদমান। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে যোগ হয়েছে ২৮ রান। লাঞ্চের সময় সাদমান ৪২ ও নাজমুল ১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। ২৯ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৬ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস ২৯ ওভারে ৯৬/২: সাদমান ইসলাম ৪২*, মুমিনুল হক ২৮, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫*, তানজিদ হাসান তামিম ৭। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে জোমেল ওয়ারিকান ১/১১, জেডন সিলস ১/১০।



