জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নাহিদ রানাকে নির্ধারিত চার ওভারের কোটা পূরণ করতে দেখা যায়নি। মাত্র ২.৩ ওভার বল করার পরই মাঠ ছাড়েন ডানহাতি এই গতিতারকা। ম্যাচ চলাকালে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত জানা গেল, চোটের কারণেই তাকে আর বোলিং করানো হয়নি।
গতকাল ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের শিবির থেকে নাহিদকে নিয়ে আশাব্যঞ্জক কোনো খবর মেলেনি। জাতীয় দলের মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে, আপাতত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এই পেসারকে। তার চোটের ধরন ও গুরুত্ব বোঝার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম বলেন, ‘নাহিদ রানা আজকের খেলায় লেফট সাইড স্ট্রেইনের কথা জানিয়েছে। তারপর আমরা ওকে আর বল করতে দেইনি। আগামীকাল পর্যন্ত ওকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। আমার কাছে মনে হচ্ছে ওর সাইড স্ট্রেইন হয়েছে। কাল সকালের পর সিদ্ধান্ত নিব স্ক্যান করব কি করব না। ওর মাঠে ফিরতে কয়দিন লাগতে পারে পরবর্তীতে জানানো হবে।’
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২.৩ ওভার বল করে ১৫ রান দিয়ে ব্রায়ান বেনেটের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি নিয়েছিলেন নাহিদ। তবে এরপর আর তাকে বোলিংয়ে ফেরানো হয়নি। ম্যাচের শেষ ভাগে তার অনুপস্থিতি বাংলাদেশের বোলিং পরিকল্পনাতেও প্রভাব ফেলেছে।
চোটের এই খবর বাংলাদেশের জন্য বাড়তি উদ্বেগের। কারণ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই দুর্দান্ত বোলিং করে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন নাহিদ। শুধু টি-টোয়েন্টিই নয়, এর আগে ওয়ানডে সিরিজেও ধারাবাহিকভাবে গতি ও নিয়ন্ত্রণের ছাপ রেখে দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য বোলারে পরিণত হয়েছিলেন তিনি।
তাই তার সম্ভাব্য সাইড স্ট্রেইন শুধু ব্যক্তিগত ধাক্কাই নয়, সিরিজের বাকি অংশে বাংলাদেশের পরিকল্পনাকেও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করতে পারে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে আগামীকালের পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন হলে স্ক্যান রিপোর্টের ওপর। ততক্ষণ পর্যন্ত নাহিদের অবস্থা নিয়ে অপেক্ষা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই টাইগার টিম ম্যানেজমেন্টের।









Discussion about this post