দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানোর সুযোগ এসেছে নাহিদ রানার সামনে। আসন্ন এসএ২০-এর নিলামে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে নাম উঠছে এই ডানহাতি পেসারের। আগামী ৭ অক্টোবরের নিলামে ১৫৬ ক্রিকেটারের সঙ্গে দল পাওয়ার লড়াইয়ে থাকবেন তিনি।
নাহিদ রানার ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ লাখ র্যান্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ কোটি ১১ লাখ টাকার বেশি। এই মূল্য থেকেই শুরু হবে তাঁকে ঘিরে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহ। নিলাম থেকে কোনো দল নাহিদকে দলে নিলে এসএ২০-এর এবারের আসরে দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে খেলার সুযোগ পাবেন তিনি।
কারণ, নাহিদের আগেই সরাসরি চুক্তিতে এসএ২০-তে জায়গা নিশ্চিত করেছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তাঁকে দলে নিয়েছে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেইপ। ফলে এবারের আসরে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারকে একসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি লিগে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
নিলামের ১৫৬ ক্রিকেটারের তালিকায় বাংলাদেশ থেকে শুধু নাহিদ থাকলেও আফগানিস্তানের পাঁচ ক্রিকেটার রয়েছেন। তাঁরা হলেন সেদিকউল্লাহ আতাল, ফজলহক ফারুকী, গুলবাদিন নাইব, মোহাম্মদ নবী ও এএম গাজানফার।
এসএ২০-তে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের উপস্থিতির ইতিহাসে এর আগে তাইজুল ইসলামের নামও যুক্ত হয়েছিল। গত আসরে ডারবান সুপার জায়ান্টস তাকে দলে নিলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামার সুযোগ পাননি বাংলাদেশের এই বাঁহাতি স্পিনার।
এবার নাহিদকে ঘিরে অপেক্ষাটা তাই একটু আলাদা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের গতি দিয়ে নজর কাড়া এই পেসারের সামনে এবার সুযোগ ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বড় মঞ্চে জায়গা করে নেওয়ার। তবে সেই সুযোগ কতটা বাস্তবে রূপ নেয়, তার উত্তর মিলবে ৭ অক্টোবরের নিলামে।
২০২৭ সালের এসএ২০ আসর শুরু হবে ১৭ জানুয়ারি। ছয় দলের এই প্রতিযোগিতায় থাকছে জোবার্গ সুপার কিংস, পার্ল রয়্যালস, সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেইপ, এমআই কেপটাউন, ডারবান সুপার জায়ান্টস ও প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালস। নিলামের আগেই পার্ল রয়্যালস ও ডারবান সুপার জায়ান্টস নিজেদের স্কোয়াড পূর্ণ করেছে। বাকি চার দল নিলামের মাধ্যমে নিজেদের স্কোয়াডের প্রয়োজনীয় ক্রিকেটার বেছে নেবে।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেইপ এরই মধ্যে তিনবার শিরোপা জিতে এসএ২০-এর সফলতম দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। এমআই কেপটাউন জিতেছে একটি শিরোপা।



