অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দল ঘোষণার সময় চোটের কারণে লিটন দাসের নাম ছিল না। তবে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে বদলে গেছে পরিস্থিতি। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক অগ্রগতির পর উইকেটকিপার-ব্যাটারকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ফলে প্রথম টেস্টে খেলার সম্ভাবনাও জেগেছে তার সামনে, যদিও সেটি নির্ভর করছে ফিটনেস পরীক্ষার ফলের ওপর।
বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছেন, লিটনকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া হয়নি। গত এক সপ্তাহে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং মেডিকেল বিভাগের ইতিবাচক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে।
নাফিস বলেন, ‘২৬ জুলাই পর্যন্ত লিটনের ফিজিক্যাল কন্ডিশন সন্তোষজনক ছিল না। কিন্তু গত সাত দিনে ওর রিকভারি খুব ভালো হয়েছে। মেডিকেল বিভাগ, নির্বাচক ও বোর্ড মনে করেছে সামনে আরও দ্রুত উন্নতি সম্ভব।’
বিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর পর লিটনের পুনর্বাসনের বাকি ধাপ সম্পন্ন হবে। এরপর তাকে ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে প্রথম টেস্টের জন্য বিবেচনায় থাকবেন তিনি। অন্যথায় দ্বিতীয় টেস্টে তাকে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ বিষয়ে নাফিস বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ওর বাকি রিহ্যাব হবে। এরপর ফিটনেস টেস্ট হবে। যদি সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তাহলে প্রথম টেস্টের জন্য বিবেচনায় থাকবে। না হলে দ্বিতীয় টেস্টে খেলার সম্ভাবনা থাকবে।’
লিটনের চোট নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা বা বিভ্রান্তি ছিল না বলেও জানিয়েছেন বিসিবির এই কর্মকর্তা। তার ভাষ্য, সমস্যা কী ছিল, সেটি শুরু থেকেই জানা ছিল। তবে প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে পুনরুদ্ধার হয়নি। সাম্প্রতিক অগ্রগতি বোর্ডকে আশাবাদী করেছে।
নাফিস বলেন, ‘ইনজুরিটা অদ্ভুত কিছু ছিল না। আমরা সব সময় জানতাম সমস্যা কোথায়। শুধু রিকভারি প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে হয়নি। কিন্তু গত সাত দিনের অগ্রগতি আমাদের আত্মবিশ্বাস দিয়েছে যে এখন সে সফর করার মতো অবস্থায় আছে।’



