আবুধাবি টেস্টে দারুণ শুরুর পর ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দিন একপর্যায়ে ২ উইকেটে ২২১ রান তুলে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েছিল সফরকারীরা। তবে মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতায় শেষ ১২৫ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারায় দলটি। প্রথম দিনের ৩১৭ রানের সঙ্গে দ্বিতীয় দিনে আর মাত্র ২৯ রান যোগ করে ৩৪৬ রানে অলআউট হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
শুক্রবার প্রথম দিনের খেলা শেষে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। আজ শনিবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে স্কোরবোর্ডে ২৯ রান যোগ করতেই বাকি দুই উইকেট হারায় তারা। এতে ৯২.৩ ওভারে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
দিনের শুরুতে বাংলাদেশের হয়ে লড়াই চালিয়ে যান নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম। আগের দিন ৩৫ রানে অপরাজিত থাকা নাঈম শেষ পর্যন্ত ৩৫ রানেই অপরাজিত থাকেন। নবম উইকেটে তাইজুলের সঙ্গে ৩০ রান যোগ করেন তিনি। তবে ৪ রান করে তাইজুল বিদায় নিলে বাংলাদেশের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যায়। ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে জিয়াউর রেহমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ইবাদত হোসেন ফিরলে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
এর আগে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে প্রত্যাশিতভাবেই ভালো শুরু করেছিল সফরকারীরা। ওপেনিং জুটিতে ১২৪ রান আসে। তানজিদ হাসান করেন ৮৩ রান, আর সাদমান ইসলামের ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রান। লিটন দাসের ৫৩ রানের ইনিংসও বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের পথে রেখেছিল। এ ছাড়া মুমিনুল হক ৩৯, নাজমুল হোসেন শান্ত ২৯ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ২৪ রান করেন।
তবে ওপেনিং জুটি ভাঙার পরও শক্ত অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ পরে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে। একপর্যায়ে ২ উইকেটে ২২১ রান করা দলটি মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। স্বীকৃত ব্যাটারদের ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের লাগাম নিজেদের হাতে নেয় আফগানিস্তান। শেষ দিকে তাইজুল ও নাঈম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও দলের সংগ্রহ প্রত্যাশিত উচ্চতায় নিতে পারেননি।
আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন সেলিম। তিনি ৮২ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন। ইয়ামিন আহমদজাই ৭৯ রানে তিনটি এবং ইসমত আলম ২০ রানে দুটি উইকেট শিকার করেন। কায়েস আহমদ নেন একটি উইকেট।



