আগের ম্যাচে ১৪২ রানও তুলতে না পারা জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সামনে ২৪৮ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান করেছে স্বাগতিকরা। ইনিংসের মূল ভরসা ছিলেন ওপেনার বেন কারান, যিনি অপরাজিত ১১১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্সের ৩৮ বলে ঝড়ো ৫৮ রানের ইনিংসে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ পৌঁছে যায় আড়াইশ রানের কাছাকাছি।
আজ টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুটা দারুণই করেছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন তিনি। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়াকেও ৪ রানে সাজঘরে পাঠিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৮ রানে ২ উইকেট হারানোর চাপে ফেলেন এই ডানহাতি পেসার।
শুরুর ধাক্কা সামলে জিম্বাবুয়ের ইনিংস গড়ে তোলেন বেন কারান। তাকে কিছুটা সঙ্গ দেন ক্রেইগ আরভিন। তবে ২০ বলে ৯ রান করে আরভিন নাহিদ রানার শিকার হলে ৩২ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর ওয়েসলি মাধেভেরে ৩০ বলে ১৫ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হন।
মাধেভেরের বিদায়ের পর সিকান্দার রাজাকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন কারান। দুজনের ৬৮ রানের জুটিতে জিম্বাবুয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। রাজা ৫৩ বলে ৩৩ রান করে মিরাজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ দায়িত্বশীল ব্যাটিং চালিয়ে যান কারান। পরে রিশাদ হোসেন ক্লাইভ মাদান্দেকে ৪ রানে ফেরালে ১৪৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।
এরপর ব্র্যাড ইভান্সকে নিয়ে ইনিংসের গতি বাড়ান কারান। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। অন্যদিকে ইভান্সও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বোলারদের চাপে ফেলেন। বিশেষ করে ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদের কাছ থেকে ২২ রান আদায় করে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ইভান্স ৩৮ বলে ৫৮ এবং কারান ১৩৫ বলে অপরাজিত ১১১ রান করে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে ২৪৭ রানের সংগ্রহ এনে দেন।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন। এখন ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৪৮ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর-
জিম্বাবুয়ে: ৫০ ওভারে ২৪৭/৬ (কারান ১১১*, কাইয়া ৪, আরভিন ৯, মাধেভেরে ১৫, রাজা ৩৩, মাডান্ডে ৪, ইভান্স ৫৮; তাসকিন ১০-২-৫৭-২, শরিফুল ১০-০-৫০-০, নাহিদ ১০-১-৪৮-১, মিরাজ ১০-০-৩২-১, রিশাদ ৮-০-৪০-০, মোসাদ্দেক ২-০-১৩-০)









Discussion about this post