বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আয়োজন না থাকায় দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তৈরি হওয়া শূন্যতা পূরণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিপিএলের আদলে আয়োজিত ‘থ্রি ডি’ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
নতুন এই আয়োজনকে শুধু একটি বিকল্প টুর্নামেন্ট হিসেবে দেখছেন না আমিনুল। তার দৃষ্টিতে, নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেট মাঠে থাকলে এর প্রভাব পড়বে জাতীয় দলের ক্রিকেটার থেকে শুরু করে পুরো ক্রীড়াঙ্গনে। তিনি বলেন, ‘এই টুর্নামেন্ট আগামীর বাংলাদেশের ক্রিকেটই নয় শুধু, আগামীর বাংলাদেশের সব খেলাকেই অনেক বেশি উদ্বুদ্ধ করবে। বছরের ছয় থেকে সাত মাস যদি আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট মাঠে রাখতে পারি, জাতীয় দলে যারা খেলে বা ঘরোয়া ক্রিকেটে যারা খেলে, তাদের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত দেখা যাবে।’
বিপিএলকে ঘিরে দর্শক ও ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহের জায়গায় এবার ভিন্ন কাঠামোর এই আয়োজন কতটা সাড়া ফেলতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে আমিনুলের বক্তব্যে স্পষ্ট, ঘরোয়া ক্রিকেটকে দীর্ঘ সময় সচল রাখার বিষয়টিকেই তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার মতে, নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের সুযোগ তৈরি হলে জাতীয় দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটের মানের পার্থক্যও কমিয়ে আনা সম্ভব।
ক্রিকেট নিয়ে আলোচনায় ছোটখাটো বিতর্কের চেয়ে মূল খেলাটির উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘আমরা মনে হয় ক্রিকেটের দিকে ফোকাস করি না। আমরা ছোট ছোট বিষয় যেখানে তর্ক-বিতর্ক উঠবে ওই বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিই। আপনাদের সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত ক্রিকেট এবং ক্রিকেট কিভাবে এগিয়ে যাবে।’
নতুন টুর্নামেন্টের আয়োজন নিয়েও ইতিবাচক আমিনুল। আয়োজনটির সম্ভাব্য ঘাটতির চেয়ে নতুন উদ্যোগ ও নতুন স্বপ্নের দিকটিই সামনে আনছেন তিনি। আমিনুল বলেন, ‘আমাদের ডি থ্রি টুর্নামেন্ট হবে আমি সেখানে ঘাটতি দেখি না। নতুন উদ্যোগে, নতুন স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করেছে। আমরা আশা করি এই টুর্নামেন্ট আমাদের ক্রিকেটের জৌলুস ফেরাবে।’



