বাংলাদেশকে আর পরীক্ষানিরীক্ষার প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছে না অস্ট্রেলিয়া-আসন্ন টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণার পর এমনটাই মনে করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার মতে, প্রায় পূর্ণশক্তির দল নিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্তই বলে দিচ্ছে, বাংলাদেশকে এবার যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
আগামী আগস্টে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে বাংলাদেশ। অতীতে বাংলাদেশের বিপক্ষে একাধিকবার তুলনামূলক দুর্বল বা অনভিজ্ঞ দল খেলালেও এবার দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, পেসার জশ হ্যাজলউড এবং অফস্পিনার নাথান লায়নের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। ব্যাটিংয়েও আছেন ট্রাভিস হেড ও মারনাস লাবুশেনের মতো প্রতিষ্ঠিত তারকা।
মিরপুরে নতুন কুড়ি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে শান্ত বলেন, ‘আমি বলব যে আমরা দল হিসেবে একটা ভালো অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি এই টেস্ট দল নিয়ে। কারণ, আপনি যদি প্রতিপক্ষের দলটা দেখেন, এখানে বোঝা যাচ্ছে যে তারা সিরিজটা হালকাভাবে নেয়নি।’
শান্ত মনে করেন, এটি কেবল অস্ট্রেলিয়ার দল নির্বাচনের বিষয় নয়; বরং বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিক উন্নতিরও স্বীকৃতি। গত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে পাকিস্তানের বিপক্ষে স্মরণীয় সাফল্যসহ সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সই প্রতিপক্ষকে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে নামতে বাধ্য করেছে।
বাংলাদেশ অধিনায়কের চোখে বিষয়টি চাপের নয়, বরং সুযোগের। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য যাচাই করার এটিই সেরা মঞ্চ বলে মনে করেন তিনি। শান্ত বলেন, ‘সাধারণত তো বাংলাদেশ ক্রিকেটে আগে আমি কখনো দেখিনি। আমাদের সঙ্গে খেলা পড়লে হয়তো অনেক ধরনের পরীক্ষানিরীক্ষা করে থাকে। আমি বলব যে এটা একটা দল হিসেবে আমাদের দলীয় অর্জন। কারণ, এমন একটা দল তারা দিয়েছে। এটা আমাদের দলের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ এজন্য যে সেই দলের বিপক্ষে আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি।’
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনে, দ্বিতীয় টেস্ট ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে। তবে সফরের আগে ইনজুরিতে ছিটকে গেছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। ফলে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ছাড়াই মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে।










Discussion about this post