ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ঘিরে নাটকীয় মোড় নিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের অবস্থান। একসময় দল গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিলেও এখন আবার নতুন করে শক্তিশালী স্কোয়াড গঠনের পরিকল্পনায় নেমেছে ক্লাবটি। এই পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক, যেখানে ক্লাবটির মালিক লুৎফর রহমান বাদল মুখোমুখি হন বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে।
বৈঠকের আগে রূপগঞ্জের অবস্থান ছিল একেবারেই ভিন্ন। ক্লাবের সব ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়ে দল না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাদল। তবে পরিস্থিতি বদলে যায় তামিম ইকবালের আমন্ত্রণে বিসিবিতে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর। পাশাপাশি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও তাকে ক্রিকেটে থাকার অনুরোধ জানানো হয়। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন সিদ্ধান্তে আসেন তিনি।
লুৎফর রহমান বাদল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘আমরা লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সব খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম যে আমরা খেলব না। সেই সূত্র ধরেই তামিম আমাকে ফোন করেছিল, ডেকেছিল। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া মন্ত্রীও আজকে আমাকে ডেকেছিল। দুজনের সাথেই খুব ভালো কথা হয়েছে এবং তারা অনুরোধ করেছে যাতে আমরা ক্রিকেটের (ডিপিএল) দল-বদলে অংশগ্রহণ করি, ক্রিকেটের মধ্যে থাকি। আমরা ওই অনুরোধটা রাখব, ইনশাআল্লাহ।’
তবে নতুন করে দল গড়ার পথে ইতোমধ্যেই কিছুটা ক্ষতি হয়ে গেছে। গত মৌসুমে দলের নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় নাঈম শেখ, শামীম হোসেন ও আফিফ হোসেন অন্য ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন। তারপরও তাদের ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, দলকে নতুনভাবে সাজাতে জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ-কে অধিনায়ক করার চিন্তা করছে রূপগঞ্জ। তার নেতৃত্বে দলটি আরও সংগঠিত ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সব খেলোয়াড় ছেড়ে দেওয়ার পরও পুরোপুরি খালি হয়নি দলটি। এখনো শরিফুল ইসলাম, সাইফ হাসান ও নাসুম আহমেদ ক্লাবের সঙ্গে রয়েছেন। এ প্রসঙ্গে অভিজ্ঞ সংগঠক লুৎফর রহমান বলেন, ‘শরিফুল ইসলাম, সাইফ হাসান ও নাসুম আহমেদ আছেন এখনও। মিরাজ যোগ দিলে দলের শক্তি বাড়বে আরও।’










Discussion about this post