বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির শেষ ধাপে এসে নিজেদের সামর্থ্যের শক্ত ইঙ্গিত দিল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। দুই দলের পারফরম্যান্সে ছিল ভিন্ন গল্প, তবে লক্ষ্য এক-আত্মবিশ্বাস নিয়ে বড় আসরে নামা। একদিকে ছিল আর্জেন্টিনার একতরফা আধিপত্য, অন্যদিকে ব্রাজিলের লড়াই করে জেতার মানসিকতা।
জাম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। আগের ম্যাচে পুরো সময় না খেললেও এবার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন লিওনেল মেসি, আর তার উপস্থিতিতে দলের আক্রমণভাগে ফিরে আসে ধার। ম্যাচের শুরুতেই হুলিয়ান আলভারেজের গোল আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেয়, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মেসির। প্রথমার্ধের শেষ দিকে নিজেই গোল করে ব্যবধান বাড়ান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও গতি বাড়ায় স্বাগতিকরা। পেনাল্টি থেকে নিকোলাস ওতামেন্দির গোল, এরপর প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোল এবং শেষ দিকে ভ্যালেন্টিন বারকোর সংযোজন-সব মিলিয়ে বড় জয় নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির দল। পুরো ম্যাচে একাধিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বেঞ্চ শক্তিও যাচাই করেন কোচ, যা বিশ্বকাপের আগে দল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।
অন্যদিকে ব্রাজিলের ম্যাচে ছিল নাটকীয়তা। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল তারা। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে দানিলো সান্তোসের গোলে এগিয়ে যায় দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া, যা ম্যাচে নতুন উত্তেজনা তৈরি করে।
শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে ইগর থিয়াগোর গোল ব্রাজিলকে আবার এগিয়ে দেয়। এরপর এনড্রিকের দারুণ আক্রমণ থেকে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোল জয় নিশ্চিত করে। বদলি খেলোয়াড়দের অবদান এই ম্যাচে বিশেষভাবে চোখে পড়েছে, যা কোচ কার্লো আনচেলত্তির জন্য ইতিবাচক দিক।










Discussion about this post