সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শুক্রবার জমজমাট দিনে টি-টোয়েন্টি আসরে রঙ ছড়িয়েছে দুই বিভাগের দুই তারকা। সকালে ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড কৃতিত্ব দেখিয়ে ঢাকাকে বড় জয় এনে দিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। আর বিকেলের ম্যাচে ব্যাট হাতে শতকের দুয়ারে দাঁড়িয়ে গিয়েও ঝড়ো ইনিংসে রাজশাহীর জয় নিশ্চিত করেছেন হাবিবুর রহমান সোহান।
সৈকতের ব্যাটিং উৎসবে রংপুর বিধ্বস্ত
প্রথমে ব্যাট করে ঢাকার ব্যাটিং ছিল পরিপাটি। ইনিংসের ভরসা ছিলেন আরিফুল ইসলাম ও মোসাদ্দেক হোসেন। আরিফুল ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে অপরাজিত ৫৯ রান করেন, অন্যপ্রান্তে ঝড় তোলেন সৈকত। মাত্র ২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করে শেষ পর্যন্ত খেলেন ৩২ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস। শেষ দুই বলে টানা দুটি ছক্কা মেরে দর্শকদের মাতিয়ে দেন তিনি।
ঢাকার ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রংপুরের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে দ্রুত। নাঈম ইসলাম অপরাজিত থাকেন ২৬ রানে, তবে বাকিরা দাঁড়াতেই পারেননি। দশ নম্বরে নামা আবু হাশিম কিছুটা লড়াই করে ২৫ রান করলেও শেষ পর্যন্ত রংপুর থেমে যায় ১০০ রানে। জয় নিশ্চিত হয় ঢাকার ৭১ রানের ব্যবধানে। সৈকত ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতে করলেন মাত্র এক বল, আর তাতেই তুলে নিলেন উইকেট।
সেঞ্চুরির স্বপ্ন ভাঙলেও রাজশাহীর নায়ক সোহান
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনার দেওয়া ১৭১ রানের লক্ষ্য রাজশাহী তাড়া করে ফেলেছে ২৩ বল বাকি থাকতেই। এর কৃতিত্ব মূলত দুই ওপেনারের—হাবিবুর রহমান সোহান ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
পাওয়ার প্লে থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে খুলনার বোলারদের চাপে রাখেন তারা। ২২ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন সোহান, এগিয়ে যান প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু ৯৪ রানে এসে বোল্ড হয়ে ফেরেন আক্ষেপ নিয়ে। তার ৪৪ বলের ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ৬ ছক্কা। অন্যপ্রান্তে শান্ত ছিলেন ঠাণ্ডা মাথায়। ৩৯ বলে অপরাজিত ৬৫ রান করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি।
খুলনার হয়ে সৌম্য সরকার খেলেছিলেন ৩৪ বলে ৬৩ রানের ইনিংস, আফিফ করেন ৫০। কিন্তু সেই রানকেও যথেষ্ট মনে হয়নি সোহান-শান্তের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে। রাজশাহী শেষ পর্যন্ত জেতে ৮ উইকেটে।










Discussion about this post