এশিয়া কাপের ফাইনালের স্বপ্ন এখন হাতের নাগালে বাংলাদেশের। কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে সামনে দাঁড়িয়ে এশিয়ার ক্রিকেট দানব ভারত। আজ দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রাত ৮টায় লড়াইয়ে নামবে লিটন দাসের দল। সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি।
গ্রুপ পর্বে হংকং ও আফগানিস্তানকে হারিয়ে সুপার ফোরে উঠে বাংলাদেশ। সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচেই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পেয়েছে শুভসূচনা। এবার আরও বড় পরীক্ষা—ভারত। জয় মানেই ফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া, পরাজয় মানেই সমীকরণ জটিল হয়ে যাওয়া।
সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচেই দেখিয়েছে নিজেদের লড়াই করার ক্ষমতা। শ্রীলঙ্কাকে মাত্র ১৬৮ রানে থামিয়ে দিয়েছিল বোলাররা। ব্যাট হাতে সাইফ হাসান আর তাওহিদ হৃদয়ের হাফ-সেঞ্চুরিতে ভর করে সহজ জয় নিশ্চিত করার পথেই ছিল বাংলাদেশ। যদিও শেষ ওভারে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়, শেষ পর্যন্ত জয়টা ছিনিয়ে এনেছিল লাল-সবুজ। সেই জয়ই আজ ভারতের বিপক্ষে লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।
দুবাইয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক ম্যাচ খেলার পর উইকেট ধীর হয়ে গেছে। এই উইকেট স্পিনারদের পক্ষে কথা বলবে, আর সেটিই বাংলাদেশকে বাড়তি সুবিধা দেবে। টসও হতে পারে বড় ফ্যাক্টর। রান তাড়া করে দুটো ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। তাই ভাগ্য যদি লিটনের পাশে থাকে, তবে টসেও এগিয়ে থাকবে টাইগাররা।
ভারত টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত অপরাজেয়, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকেও হারিয়েছে। তবু ভয় পাচ্ছেন না বাংলাদেশের কোচ ফিল সিমন্স, ‘প্রতিটি দলেরই ভারতকে হারানোর সামর্থ্য আছে। আমরা শুধু আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে চাই। ভারতের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করব।’
টি-টোয়েন্টিতে ১৭ বার লড়াইয়ে বাংলাদেশ মাত্র একবারই জিতেছে ভারতের বিপক্ষে। এশিয়া কাপে তো আরও কঠিন হিসাব—১৫ ম্যাচে ১৩ জয় ভারতের, ২ জয় বাংলাদেশের। তবে ক্রিকেটে অতীতের পরিসংখ্যান অনেক সময়ই বর্তমানকে আটকাতে পারে না। আজ যদি সেরা দিনে খেলতে পারে টাইগাররা, তবে সেই ইতিহাস বদলানো সম্ভব।










Discussion about this post