সিলেটে সিরিজের প্রথম টি–টোয়েন্টিতে টসে জেতার পর ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটা পুরোপুরিই কাজে লাগিয়েছে বাংলাদেশ। লিটন দাসের নেতৃত্বে বোলারদের দুর্দান্ত প্রদর্শনীতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে নেদারল্যান্ডসের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩৬ রান, ৭ উইকেট হারিয়ে।
ইনিংসের শুরুতেই গতি আর আগ্রাসনে ডাচ ব্যাটারদের নাস্তানাবুদ করেন তাসকিন আহমেদ। ১৫ বলে ২৩ রান করা ম্যাক্স ও’ডাউড এবং ১১ বলে ৪ রান করা বিক্রমজিত সিংকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ৩৮ রানের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনার, চাপে পড়ে যায় নেদারল্যান্ডস।
মাঝের ওভারগুলোতে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন তেজা নিদামানুরু। ২৬ বলে ২৬ রান করেন তিনি। কিন্তু তিনিও থামেন অফস্পিনার সাইফ হাসানের হাতে। চার বছর পর জাতীয় দলে ফেরা সাইফ ফিরিয়েছেন দুই ব্যাটারকে, মাত্র ১৮ রান খরচায়। অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস খেলেছেন ১২ রান, শারিজ আহমেদ ১৫—কেউই বড় ইনিংস গড়তে পারেননি।
শেষ দিকে আবারও তাসকিনের ঝলক। নিজের শেষ দুই ওভারে কাইল ক্লেইন ও নোয়াহ ক্রসকে তুলে নেন তিনি। পুরো স্পেলে প্রতি ওভারে উইকেট পাওয়া এই পেসারের ফিগার দাঁড়ায় ৪ ওভারে ২৮ রানে ৪ উইকেট। মুস্তাফিজুর রহমানও ছিলেন যথেষ্ট আঁটসাঁট, ৪ ওভারে ১ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
পুরো ইনিংসে বাংলাদেশি বোলাররা ৫১টি ডট বল করেছেন। সীমিত শটের সুযোগ পেয়েছে ডাচরা-ইনিংসজুড়ে এসেছে মাত্র ১২টি চার ও ৩টি ছক্কা। শেষ ওভারে টিম প্রিঙ্গল (১৬) আর আরিয়ান দাত (১৩*) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি নেদারল্যান্ডস।
Discussion about this post