জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশের দুঃসময়ের যেন শেষই হচ্ছে না। একদিকে টানা হার, অন্যদিকে চোটে ছিটকে গেছেন লিটন দাস ও মুস্তাফিজুর রহমান। এরই মধ্যে নতুন করে ধাক্কা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ধীরগতির বোলিংয়ের কারণে বাংলাদেশ দলকে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করেছে সংস্থাটি।
হারারের স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং কোটা শেষ করতে পারেনি বাংলাদেশ। আইসিসির হিসাবে, নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দুই ওভার পিছিয়ে ছিল দলটি। ম্যাচ রেফারি ডেভিড গিলবার্ট বাংলাদেশ দলের ওপর এই শাস্তি আরোপ করেন।
আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ন্যূনতম ওভার রেট বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় যত ওভার কম করা হবে, প্রতিটি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ করে জরিমানা করা হয়। সেই হিসেবে দুই ওভার পিছিয়ে থাকায় বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির মোট ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ অভিযোগ স্বীকার করে প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নেওয়ায় এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার আল্লাহউদ্দিন পালেকার ও আইনো চাবি, তৃতীয় আম্পায়ার পার্সিভাল সিজারা এবং চতুর্থ আম্পায়ার ফোরস্টার মুতিজওয়া অভিযোগটি দায়ের করেন।
মাঠের পারফরম্যান্সেও হতাশ করেছে বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৩ রানে হেরে জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ খুইয়েছে সফরকারীরা। এর আগে প্রথম ওয়ানডেতেও ১৪১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়ে ২৫ রানের পরাজয় বরণ করে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর ওয়ানডে সিরিজ হার এবং তার সঙ্গে আইসিসির এই জরিমানা বাংলাদেশের হতাশাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।










Discussion about this post