সিলেট ও চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ব্যস্ততম এক সময়ের সূচনা। এটিকে বলা যায় একপ্রকার ‘ওয়ার্ম আপ’। এরপর শুরু হবে এমন এক ক্রিকেট মৌসুম, যেখানে থামার সুযোগ নেই, বিশ্রামেরও খুব একটা সময় নেই।
২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত বিস্তৃত বর্তমান এফটিপিতে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে ১৬টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ। এর সঙ্গে রয়েছে এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট। এককথায়—ননস্টপ ক্রিকেট।
আগামী ২৩ মাসে বাংলাদেশ খেলবে-
# ১৮টি টেস্ট
# ৩২টি ওয়ানডে
# ৩২টি টি-টোয়েন্টি
এই সময়ের মধ্যে শুধু ২০২৫ সালের ডিসেম্বর এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারি ছাড়া কোনো মাসেই খেলা ছাড়া সময় থাকবে না। একটানা মাঠের ভেতরেই থাকতে হবে ক্রিকেটারদের।
যদিও বর্তমান এফটিপি শেষ হবে ২০২৭ সালের মার্চে, বিসিবির লক্ষ্য সেটি ছাড়িয়ে—২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। নতুন কোচ ফিল সিমন্সকে নিয়ে শুরু হবে এই দীর্ঘ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। ৮ এপ্রিল ঢাকায় ফিরবেন তিনি, এরপরই শুরু হবে বিস্তারিত রূপরেখা চূড়ান্ত করার কাজ। এই টানা সূচিকে চাপ হিসেবে দেখছে না বিসিবি। বরং এটিকে ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী স্কোয়াড গঠনের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে তারা।
বিসিবি ও পিসিবির সমঝোতায় মে মাসে পাকিস্তান সফরের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ বদলে যাচ্ছে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। একইভাবে জুলাইয়ের পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজেও থাকছে ৩টি টি-টোয়েন্টি।
সামনে সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ (টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট)। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
টানা ম্যাচ মানেই চোটের ঝুঁকি, মানসিক ক্লান্তি। তাই বিশ্রাম ও বিকল্প খেলোয়াড় তৈরির দিকেই এখন গুরুত্ব। বিসিবির পরিকল্পনায় রয়েছে ‘এ’ দল, এইচপি ইউনিট ও ঘরোয়া ক্রিকেটের মাধ্যমে জাতীয় দলে উপযুক্ত বিকল্প প্রস্তুত রাখা।
Discussion about this post