তাকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। যাই হোক সব জায়গাতেই সাকিব আল হাসান নাম্বার ওয়ান! এখন আলোচনার কেন্দ্রে তিনি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দল পাননি। এ অবস্থায় প্রশ্ন- সাকিব কি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট সিরিজ খেলবেন? এই প্রশ্নের উত্তরটা খোদ নাম্বার ওয়ানই জানে। তবে বোর্ড চাইছে সাকিব খেলুক।
এটাতো সবারই জানা- এখন ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটকে মন দিয়েছেন সাকিব। খেলছেন ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি। এ অবস্থায় টেস্ট খেলতে সাকিবের অনীহা। এ কারণেই আগামী বছরের জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তি হওয়ার আগে সাকিবের কাছে এক বছরের পরিকল্পনা চাইবে বিসিবি।
চট্টগ্রামে সংবাদমাধ্যমকে বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস এনিয়ে কথা বলেন। জানালেন, ‘শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ না, ওভার অল। বেসিক্যালি আমরা তার কাছে এক বছরের প্ল্যান চাইবো।’
সাকিব ইস্যুতে জালাল ইউনুস যা বলেছেন চলুন দেখে নেই-
‘বোর্ড তো চাইবে সে খেলুক। সে ওয়ান অব দ্য ফাইনেস্ট অলরাউন্ডার আমরা তো চাইবো যেন খেলুক। এখনও পর্যন্ত কেউ যদি পরিষ্কার করে না বলে তাহলে কিভাবে বলব। কেউ যদি বলে এই সিরিজে খেলবো অন্য সিরিজে খেলবো না, এই ফরম্যাটে খেলবো অন্য ফরম্যাটে খেলবো না, এটা তো তাদেরকেও তাদের চিন্তা থেকে পরিষ্কার করতে হবে।
এটা (বিসিবি) তো সেই ধরণের অর্গানাইজেশন না। দয়া করে তাদেরকে আমাদের কর্মী হিসাবে কনসিডার করবেন না। তারাও ক্রিকেটের একটি স্টেকহোল্ডার। হ্যাঁ, চুক্তি অনুযায়ী বাইন্ডেড থাকে, তবে সব যে হার্ড থাকে তা তো না। সমস্যা থাকলে বলতেই পারে। ডিসিশনটা হলো আমাদের, যে আমরা কিভাবে নিব। সে যদি চাই নির্দিষ্ট সময় টেস্ট খেলব, সেই স্বাধীনতা কি তার নাই? বলতে পারে। লেট আস সি, যে কি জানায়।’
সাকিব একটা চিঠি দিয়েছিল আমাদের যে ৬ মাসের জন্য খেলবে না। টেস্ট থেকে অব্যাহতি চেয়েছে। কিন্তু সেটা আইপিএল অকশনের আগে। এরপরে আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হয়েছিল যে সে শ্রীলঙ্কা সিরিজে খেলবে, দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে টেস্ট খেলার কথা ছিল না। এখন আইপিএলে যেহেতু যাচ্ছে না তো দৃশ্যপট পরিবর্তন হয়েছে, সে বলেছে কালকে বা এই সিরিজের পরই এখানকার ওডিআই সিরিজের পরই প্রেসিডেন্ট স্যারের সঙ্গে বসবে, কথা বলবে তো আমাদের ওই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সে (সাকিব) যদি মনে করে যে এই বছর খেলব, আগামী বছর খেলব না, বা এই কটা টেস্ট খেলব, এটা বলতে পারে। এই স্বাধীনতা একটা ক্রিকেটারের থাকতে পারে। দেখা যাক, কী বলে। সার্বিক ভাবনা নিয়েই কথা হবে, অন্তত এক বছরের পরিকল্পনাটা জানতে চাই আমরা।”
এবারের আগে ২০১৭ সালেও টেস্ট থেকে ৬ মাসের বিরতি চেয়েছিলেন সাকিব। সেবার তাকে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ছুটি দিয়েছিল বিসিবি। তার টেস্ট খেলা নিয়ে বারবার যে অনিশ্চয়তা, সেখানে সাকিবের দায়ই বেশি দেখছেন বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান।
কেউ যদি বলে এই সিরিজে খেলব, অন্য সিরিজে খেলব না, এই ফরম্যাটে খেলব, অন্য ফরম্যাটে খেলব না, এটা তো তাদেরকেও তাদের চিন্তা থেকে পরিষ্কার করতে হবে। আজকে একটা বলল, কালকে আবার বদলে ফেলল। হয়তো কোন একটা সমস্যার মধ্যে ছিল, হয়তো পরে বলল সে খেলবে-খেলবে না। আমরা তাকে সেই সুযোগটা দিচ্ছি যে আলোচনার মাধ্যমে শেষ করো।’










Discussion about this post