আজ ২ জুলাই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও এই দিনটি বিশেষভাবে উদযাপন করেছে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস এসোসিয়েশন (বিএসপিএ)।
এই দিবস উপলক্ষ্যে দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠন জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব), রিপোর্টার্স এগেইনস্ট করাপশন (রেক), বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএসজেএ), বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট কমিউনিটি (বিএসজেসি), চায়না মিডিয়া ক্লাব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিএসপিএ’র পক্ষ থেকে কেক উপহার পাঠানো হয়।
এছাড়া বিএসপিএ কার্যালয়ে বিশেষ আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং কেট কাটার আয়োজন করে হয়। বিএসপিএ সহ-সভাপতি তালহা বিন নজরুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দের পরিচালনায় এই অনুষ্ঠানে বিএসপিএ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক আজ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব ক্রীড়া সাংবাদিক, আলোকচিত্রী, ক্যামেরাপারসন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের ক্রীড়া সাংবাদিক, ফটোসাংবাদিক, ভিডিওগ্রাফার এবং ক্রীড়া গণমাধ্যমের সাথে যুক্ত সকল সংবাদকর্মীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। মাঠের উত্তেজনা, খেলোয়াড়দের কঠোর ত্যাগ আর বিজয়ের গল্পগুলো যারা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ক্যামেরার লেন্সে ও কলমের আঁচড়ে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেন, আজ তাঁদের মেধা ও শ্রমকে সম্মান জানানোর দিন।
ক্রীড়া সাংবাদিকতা কেবল জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি খেলার ভেতরের মানবিক গল্প ও লড়াইকে তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম। আমাদের আলোকচিত্রী ও ক্যামেরাপার্সনদের ধারণ করা প্রতিটি জীবন্ত ফ্রেম এবং সাংবাদিকদের বিশ্লেষণধর্মী লেখনী সমাজকে অনুপ্রাণিত করে, যুবসমাজকে আলোর পথ দেখায়। একটি স্বচ্ছ ও গতিশীল ক্রীড়াঙ্গন গড়ে তুলতে আপনাদের বস্তুনিষ্ঠতা এবং পেশাদারিত্বের ভূমিকা অপরিসীম।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ক্রীড়া গণমাধ্যমকে আমরা কেবল দর্শক মনে করি না, বরং দেশের ক্রীড়া কাঠামোর উন্নয়ন এবং তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণে আপনারা আমাদের অন্যতম প্রধান অংশীদার। আমি আশা করি, ভবিষ্যতেও আপনারা সততা ও সাহসিকতার সাথে সকল খেলার সমান প্রচার নিশ্চিত করবেন এবং অন্তরালে থাকা প্রতিভাদের সামনে নিয়ে আসবেন। দেশের ক্রীড়াজগতকে এগিয়ে নিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সর্বদা আপনাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।’








Discussion about this post