ক্রিকবিডি২৪.কম রিপোর্ট
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন আজ। যেখানে অংশ নিচ্ছেন ৪৭ জন প্রার্থী। আর ভোট দেবেন ১৩৯ জন ভোটার। এই ভোটাররা ঠিক করবেন, আগামী চার বছর কারা এ দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ করবেন।
গত ১২ বছর ধরে বাফুফের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। কিন্তু এ দেশের ফুটবল উন্নয়নে এ সংগঠক তেমন কিছু করতে পারেননি। যে কারণে তাকে নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। তারপরও তিনি আরও এক মেয়াদে সুযোগ চান। এজন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তার খেলোয়াড়ি জীবনের দুই সতীর্থ বাদল রায় ও শফিকুল ইসলাম মানিক। মানিক নিজেকে ‘আন্ডারডগ’ ভাবছেন আর শারীরিকভাবে অসুস্থ বাদল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নাটকে নিভৃতে সরে গিয়েও আছেন সভাপতি নির্বাচনে। গত দুই দিনে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নীরব ‘ভোট-বিপ্লবে’র প্রত্যাশায় আছেন এই তারকা, ‘ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ফুটবল বাঁচানোর আকুতি জানিয়েছি তাঁদের।’
সব সময় নির্বাচন মানেই চাপ। তবে এবারের বাফুফে নির্বাচনে সেটা একটুই বেশিই মনে হচ্ছে সালাউদ্দিনের। তবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি, ‘সব সময় নির্বাচন করেই জিতেছি, সুবাদে একরকম আত্মবিশ্বাস আছে। এর পরও বিগ ম্যাচের একটা মানসিক চাপ তো থাকেই। ফুটবলের একটা ভিত্তি তৈরি হয়েছে, এবার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্যই নির্বাচন করছি।’
বাফুফে নির্বাচনে এবার লড়াই হবে সম্মিলিত পরিষদ আর সমন্বয় পরিষদ নামে দুটি প্যানেল মুখোমুখি হলেও লড়াইটা আসলে একদম ব্যক্তিগত। সিনিয়র সহসভাপতি পদে সালাম মুর্শেদীই এগিয়ে থাকছেন শেখ মোহাম্মদ আসলামের বিপক্ষে। চার সহসভাপতি পদে তুমুল লড়াই হবে আট প্রার্থীর মধ্যে। এখানে ভোটাররা প্রথমেই স্বাগত জানাতে পারেন ফুটবলের দুই পরাশক্তি আবাহনী ও বসুন্ধরা কিংসের দুই ‘ক্লিন ইমেজের’ সংগঠক কাজী নাবিল আহমেদ ও ইমরুল হাসানকে। এই দুজনও বাকি ছয়জনকে পেছনে ফেলে এগিয়ে। তাহলে বাকি দুই সহসভাপতি পদের জন্য লড়াই হবে মহিউদ্দিন মহি, তাবিথ আউয়াল, আতাউর রহমান মানিক, শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান, রেদুয়ান ফুয়াদ ও আমিরুল ইসলাম বাবুর মধ্যে।
এদিকে ১৫টি সদস্য পদে লড়ছেন ৩৪ জন প্রার্থী। এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। ছিটকে যেতে পারেন বর্তমান কমিটির অনেক নামিদামি সংগঠক।
Discussion about this post