তরুণ পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়েও বড় সংগ্রহ গড়ে তুলেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। বুলাওয়েতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করেছে স্বাগতিকরা। ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের সামনে ১৭১ রানের লক্ষ্য।
আজ টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তবে শুরুতেই চাপে পড়ে সফরকারীরা। দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি দ্রুত রান তুলে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। যদিও ৯ বলে ১৪ রান করে মারুমানিকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদ রানা।
এরপর ডিয়ন মায়ার্সকে নিয়ে জুটি গড়েন বেনেট। একপ্রান্তে মায়ার্স তুলনামূলক ধীরগতিতে খেললেও বেনেট ছিলেন আক্রমণাত্মক। মায়ার্স ২০ বলে ২০ রান করে ফেরার পরও নিজের আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়ে যান এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত নাহিদের বলেই বিদায় নেওয়ার আগে ৩০ বলে ৬টি চার ও একটি ছক্কায় ৪৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি।
মাঝের ওভারে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন। ১৩ বলে ২০ রান করে তিনি আউট হলেও শেষদিকে রায়ান বার্ল ও ব্র্যাড ইভান্স জিম্বাবুয়ের সংগ্রহকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান। বার্ল ২৫ বলে অপরাজিত ৩০ এবং ইভান্স ১০ বলে অপরাজিত ১৯ রান করেন।
বল হাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফরমার ছিলেন নাহিদ রানা। ওয়ানডে সিরিজের ছন্দ ধরে রেখে গতি ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের ভুগিয়েছেন তিনি। চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন এই ডানহাতি পেসার। শেষ ওভারে ১৮ রান খরচ করলেও তার আগ পর্যন্ত ছিলেন প্রায় অপ্রতিরোধ্য।
মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট। কোনো উইকেট না পেলেও তাসকিন আহমেদ ছিলেন বেশ কিপ্টে। তিনি চার ওভারে মাত্র ২২ রান দেন। তবে অন্য বোলাররা রান আটকে রাখতে না পারায় লড়াকু সংগ্রহ গড়ে তুলতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি স্বাগতিকদের।










Discussion about this post