ক্যান্ডির পালেকেল্লে স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে দাপট ছিল ব্যাটসম্যানদের। একাধিক শতক পেয়েছেন দুই দলের ব্যাটসম্যানরা। বোলাররা শুধু অসহায়ের মতো করে গেছেন বল। তবে দৃশ্যপট পাল্টাতে পারে দ্বিতীয় টেস্টে। একই মাঠে বৃহস্পতিবার শুরু শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।
তার আগে জানা গেল পরের টেস্টে পেস-নির্ভর উইকেট বানাবে শ্রীলঙ্কা। অবশ্য এমন ধারণা শ্রীলঙ্কা সফরে টাইগারদের দলনেতা খালেদ মাহমুদ সুজনের।
ভিডিও বার্তায় খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘দেখুন, আগের টেস্টের উইকেট একদম ফ্লাট ছিল। তেমন উইকেটে টেস্টের রেজাল্ট বের করা খুব কঠিন। দ্বিতীয় টেস্টে আমাদের জন্য অন্যরকম কিছু অপেক্ষা করছে। ধারণা করছি সিমিং উইকেট হতে পারে, কতটুকু সিমিং হবে আমরা জানি না। উইকেট দেখে ধারণা দিতে পারবো। হয়তো কিছুটা স্পিনও ধরতে পারে। কিন্তু ফ্লাট উইকেট হবে না, এতটুকু নিশ্চয়তা আমি দিতে পারি। কারণ স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলও এমন উইকেট পছন্দ করেনি।’
আফগানিস্তান, ভারত, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬ টেস্টের প্রতিটিতে হেরেছে বাংলাদেশ দল। সেই ধাক্কা সামলে টাইগাররা পেয়েছে সাফল্য। সুজন বলছিলেন, ‘সব মিলিয়ে আমি খুব খুশি, যেভাবে আমরা চাপের মধ্যে ছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজে ভালো করতে পারিনি, সেখান থেকে কতটুকু ভালো করবো প্রশ্ন ছিল। কিন্তু আমি খুব খুশি এখানে আসার পর যেভাবে তারা ট্রেনিং সেশন, অনুশীলন ম্যাচে এফোর্ট দিয়েছে। তবে আমরা এর চেয়ে ভালো করতে পারি, আমরা ভালো করবো। তবে সময় দিতে হবে আমাদের।’
প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে সাফল্য পেয়েছেন তামিম ইকবাল, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস। এনিয়ে খুশি সুজন। বলেন, ‘যেভাবে ছেলেরা ব্যাট করেছে তাতে আমি খুব খুশি। সত্যি কথা বলতে তামিমের দুইটা ইনিংসই অসাধারণ। প্রথম ইনিংস তো আমাদের ড্রেসিংরুমের আবহই পরিবর্তন করে দিয়েছে। আমি খুব খুশি যে চাপের মুখে শান্ত অসাধারণ একটি ইনিংস খেলেছে। দেশের বাইরে প্রথম সেঞ্চুরি করে মুমিনুলও নিজেকে প্রমাণ করেছে।’
প্রথম টেস্টে দল পেয়েছে ড্রয়ের তৃপ্তি। দেশের বাইরে টানা ৯ হারের পর ড্র। এবার এই সাফল্য দ্বিতীয় টেস্টেও ধরে রাখতে চায় মুমিনুল হকের দল।
Discussion about this post