আলোচনায় থাকতেই যেন ভালবাসেন তিনি। তাইতো বিতর্ক নিত্যসঙ্গী। রুবেল হোসেনকে জড়িয়ে কতো কী যে করেছেন! জাতীয় দলের ওই তারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে সম্পর্কটা শেষ নাজনীন আক্তার হ্যাপির। এরপর থেকে আরো বেশি এলোমেলো হয়ে গেছে এই অভিনেত্রীর জীবন। তাইতো কখন কি যে করছেন নিজেও জানেন না। একবার রুবেলকে একহাত নিচ্ছেন তো আবার ভালবাসার কথাও বলছেন। এইতো সেদিন হঠাৎ ফেসবুকে জানালেন-দেশ ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি জমাচ্ছেন তিনি।
সবই গুজব। এবার মডেলিং, অভিনয়, গ্ল্যামার দুনিয়া ছেড়ে ধর্মে কর্মে মন দেওয়ার ঘোষণা দিলেন রুবেল হোসেনর সাবেক প্রেমিকা।
হ্যাপি জানালেন চলচ্চিত্র ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনায় নিজেকে ব্যস্ত রাখবেন তিনি। ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে লিখলেন-
”আজকে প্রথমবার তাবলিগে গিয়েছিলাম মুফতি উসামা ইসলাম ভাই এর বাসায়। পরিবেশটাই আলাদা ছিল, যেখানে অনেক অনেক মানুষ যারা শুধু আল্লাহকে ভালোবেসে আল্লাহের পথে চলার সুবিধার্থে ইসলামের আলোচনায় শামিল হয় সেই সাথে সেখানে যারা ছিল সবার মন নিশ্চয় আল্লাহের নূরে আলোকিত। এমন একটি জায়গা হাজারো সুন্দর জায়গা থেকে অনেক বেশি সুন্দর ও পবিত্র কারণ সেখানে সবার ধ্যানে শুধু মহান আল্লাহ। সেখান থেকে আসতে ইচ্ছা করছিল না। মনে হচ্ছিল সারা রাত বসে কোরআনের ব্যাখ্যা আর হাদিস শুনি আর সবার সাথে আল্লাহকে প্রাণ ভরে ডাকি। উসামা ভাই চমৎকার বয়ান করেন যার কারণে কথাগুলো মনে নাড়া দিতে বাধ্য এবং তিনি অসম্ভব ভালো একজন মানুষ।
ইসলামের পথে চলার আশায় এমন একটি পরিবেশে যেতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আমাদের সবারই উচিত আল্লাহের কথা মেনে চলা ও তার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা, যে পারে সে পরকালের জান্নাতবাসী নিসন্ধেহে! সুবাহান আল্লাহ!
আমরা সবসময়ই পবিত্র আর সুন্দর থাকতে পারি শুধু চিন্তা-ভাবনা যদি আল্লাহকে খুশি করার উদ্দেশ্য থাকে। কি হবে পরনিন্দা,মিথ্যা,অন্যায়,হিংসা-অহংকার এর মধ্যে থেকে? তার বিপরীতে যদি নামাজ,রোজা, আখলাক, পরোপকারিতা, কোরআন পাঠ ও নবীদের দেখানো পথে চলি তাহলেই জীবন সুন্দর ইহকাল ও পরকাল উভয় সময়ের জন্য।”
হ্যাপির এমন পরিবর্তন দেখে অনেকেই অবশ্য অবাক। এনিয়ে ফেসবুকে মুখেরাচক কথাও বলছেন কেউ কেউ!তাবলিগ জামাতে হ্যাপি





