সাবেকদের তালিকাতে তার নাম। জাতীয় দলে আর খেলা হচ্ছে না মহেন্দ্র সিং ধোনির। তবে তারকা খ্যাতিতে এখনও আলোচনায় তিনি। এই যেমন আজ বুধবার নিজের জন্মদিনে রীতিমতো শুভেচ্ছা বন্যায় ভাসলেন। ১৯৮১ সালে এই দিনে ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের রাঁচিতে জন্ম নেন মাহি। এইদিনে পা দিলেন ৪০ বছর বয়সে।
২০০৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ২৩ বছর বয়সে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওযানডে ম্যাচে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক। সেই সিরিজে জ্বলে উঠতে না পারলেও পরের বছর এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ নিজেকে মেলে ধরেন। করেন সেঞ্চুরি। তারপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।
২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো অধিনায়ক হয়েই ভারতকে এনে দেন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার নেতৃত্বেই টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠে ভারত। ২০১১ সালে বিশ্বকাপে ভারতকে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতান তিনি।
চলুন বিশেষ এই দিনে ধোনির জীবনের অজানা তথ্য জেনে নেই-
১.
ধোনির একটা অদ্ভূত বিষয় রয়েছে- তাকে যারা চিনতে পারতেন না তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যান তিনি। তার প্রথম প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা, যিনি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন। তিনিও প্রথমে চিনতেই পারেননি ধোনিকে। যদিও ধোনি তখনও সে ভাবে জনপ্রিয়তা পাননি। এরপর সাক্ষীর সঙ্গে তার কলকাতার একটি বিলাসবহুল হোটেলে দেখা হয়। সেই হোটেলের রিসেপশনে কাজ করছিলেন সাক্ষী। ধোনিকে চিনতে পারেননি তিনিও। তখন অবম্য ধোনি ভারত অধিনায়ক। পরে অবশ্য এই সাক্ষীকেই বিয়ে করেন। এখন সুখেই সংসার করে যাচ্ছেন।
২.
মহেন্দ্র সিং ধোনি ও যুবরাজ সিংয়ের মধ্যে ভাল বন্ধুত্বের কথা সবারই জানা। প্রায় একই সময়ে ভারতীয় দলে সুযোগ পান তারা। জাতীয় দলের ক্যারিয়ারটা প্রায় একই সময়ে শুরু। অনেকেই হয়তো জানেন না, ধোনি ও যুবরাজ একে অপরকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার আগে থেকেই চেনেন। ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার সময় থেকেই তারা বন্ধু!
৩.
দুই কিংবদন্তি সৌরভ গাঙ্গুলি ও রাহুল দ্রাবিড়ের ভারতীয় দল থেকে ছিটকে যাওয়ার পিছনে বড় হাত ছিল ধোনির। ওযানডে ক্রিকেটের দলে এই দুই ক্রিকেটারকে চাননি তিনি। সৌরভ ও দ্রাবিড়ের ফিটনেস। অবশ্য এই বিষয়টি ধোনি কখনও স্বীকার করেননি!
৪.
ক্রিকেটের পর তার প্রিয় খেলা ফুটবল। অনেকেরই জানা নেই-তাকে জোর করে ক্রিকেটে টেনে আনা হয়। ক্রিকেট খেলতে একেবারেই আগ্রহী ছিলেন না ধোনি। স্কুলে পড়ার সময়ে তিনি ফুটবল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। গোলকিপার ছিলেন। সেই টেকনিক কাজে লাগিয়েই কিন্তু তিনি উইকেটকিপার হন।



