ক্রিকবিডি২৪.কম রিপোর্ট
সত্যিই তাই। জয়ের মঞ্চ যখন তৈরি তখন কীনা দল হেরে গেল। প্রতিপক্ষকে ৩৫৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ৩ উইকেট দল তুলে নিয়েছিল চটজলদি। তারপরও কীনা পঞ্চম দিনে শেষ বিকেলে এসে দল হারল। কষ্ট চেপে ভিডিও বার্তা দিলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক।
চলুন দেখে নেই চট্টগ্রাম টেস্টে হারেরর পর কী বললেন মুমিনুল হক।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯৫ তাড়া করা সম্ভব, এমনটা প্রত্যাশাই করেননি নিশ্চয়ই…
হ্যাঁ, অবশ্যই। আসলেই অবিশ্বাস্য। কিন্তু এটাই বলের খেলা। ক্রিকেটে অবিশ্বাস্য অনেক কিছুই হয়ে যায়। প্রত্যাশায় ছিল না এমন কিছু হবে। আমার কাছে মনে হয় বোলাররা ভালো জায়গায় বল করতে পারেনি। ওদের দুই ব্যাটসম্যান খুব ভালো ব্যাটিং করেছে।
প্রথম সেশনে কি হারের চিন্তা এসেছে মাথায়?
কোনো সময়ই আমার কাছে মনে হয়নি। গত চার দিন আমরা দাপট দেখিয়েছি। আজ শেষের দিকে ম্যাচটা হেরে গেছি। আমি চিন্তাও করিনি শেষদিকে ম্যাচটা হেরে যাব।
হারের সবচেয়ে বড় কারণ কি মনে হয়?
যখন দল হারবে তখন নির্দিষ্ট করে দোষ দিতে পারবেন না। দল হারা মানে সবাই হারা, দল জেতা মানে সবাই জেতা। আমার কাছে এমন কিছু বোধগম্য হয় না (পরাজয়ের নির্দিষ্ট কোনো কারণ আছে)। দল যখন হেরেছে, সবাই একসাথে হেরেছি।
সাকিবের অনুপস্থিতি কি খুব বেশি অনুভব করেছেন…
হ্যাঁ, বলতে পারেন। সাকিব ভাই থাকলে বোলিং অনেক গোছানো হত। যেহেতু সিনিয়র বোলার, সিনিয়র ব্যাটসম্যান, সবাইকে আগলে রাখতে পারত। উনি না থাকায় মিস করেছি, বিশেষ করে বোলিংয়ে।
মাঠে সাকিবের গাইডেন্স মিস করেছেন?
অধিনায়ক হিসেবে উনার সাথে খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি। এই প্রথম সুযোগ ছিল। আগে খেললে হয়ত ওভাবে অনুভব করতাম। সাকিব ভাই না থাকাতেও স্পিনাররা ভালো করেছে। তাইজুল, নাঈম মিরাজ ভালো করেছে। যে বোলিং অ্যাটাক ছিল ওরা একটু ভালো লেন্থে বল করলে… ওরা ম্যাচ জেতানোর যোগ্য। আমরা একটু দুর্ভাগা ছিলাম, ভালো জায়গায় বল করতে পারিনি।
ভালো জায়গায় বল করতে না পারার কী কারণ..
এটারও তেমন কোনো কারণ নেই। অনেকদিন পর টেস্ট খেলেছি তাই হয়ত। নির্ধারিত কোনো কারণ নেই।
পঞ্চম দিনের উইকেট বিশ্বাসঘাতকতা করল কি?
উইকেটে যথেষ্ট সুযোগ ছিল। আমরা আমাদের সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি। বোলাররাও ভালো জায়গায় বল করেছে। সুযোগগুলো যদি কাজে লাগাতে পারতাম। খেলাটা অন্যরকম হতে পারত। এই দুই ব্যাটসম্যানের দুইটা সুযোগ ছিল। কাজে লাগালে মোমেন্টাম বদলে যেত। এই উইকেটে সেট হয়ে গেলে আউট করা কঠিন।
কাইল মেয়ার্সের ইনিংস নিয়ে কী বলবেন? ডাবল সেঞ্চুরি করে অভিষেকেই জেতালেন দলকে..
অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। সহজ না তো। দ্বিতীয় ইনিংসে প্রায় ৪০০ তাড়া করা, নিজে ২০০ করা। অসাধারণ।



