মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওযানডে ম্যাচে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক ও তার দল সদস্যরা নড়বড়ে শুরু করলেও হঠাৎই হারিয়ে ফেলে নিয়ন্ত্রণ। এই পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে দারুণ বোলিং করেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। তার পেস, বাউন্স এবং গতির ধারা একের পর এক উইকেট তুলে নেয়ার মাধ্যমে সফরকারীদের বিপর্যস্ত করে দেয়।
তার আগুনে বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারীরা।
টসে জিতে আজ ফিল্ডিং নেওয়া বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথমদিকে নিজের বোলিংয়ে কোনো উইকেট না পেলেও পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নাহিদ রানাকে আক্রমণে পাঠান। শুরুতে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়ে সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রানের ওপেনার বিদায়ে ভেঙে যায় ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
পরের ওভারগুলোতে নাহিদ একে একে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান। মাত্র পাঁচ ওভারেই তিনি ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট তুলে নেন।
১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট শিকারে যোগ দেন অধিনায়ক মিরাজ। তার বলে আব্দুল সামাদকে ধরা পড়েন লিটন দাসের হাতে। এরপর হোসাইন তালাতকে লেগ বিফোরে ফেরান। একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও সাজঘরে পাঠান তিনি।
দ্বিতীয় স্পেলে নিজের উইকেট পান তাসকিন আহমেদ। তার বলে প্রথম স্লিপে ধরা পড়ে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে মোহাম্মদ ওয়াসিম।
পাকিস্তান ৮২ রানে নবম উইকেট হারিয়ে একশর আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে। তবে শেষদিকে ফাহিম আশরাফ আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলের রান কিছুটা বাড়ান। ফাহিম ৩৭ রান করে দলকে একশ ছাড়িয়ে দেন।









Discussion about this post