দীর্ঘ ছয় মাস পর আবারও কোনো বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে মাঠে নামলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। মেজর লিগ ক্রিকেটে বদলি ক্রিকেটার হিসেবে এমআই নিউইয়র্ক দলে যোগ দেওয়ার পর কয়েকটি ম্যাচ বেঞ্চে কাটিয়ে অবশেষে সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসের বিপক্ষে একাদশে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি রাঙাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। ব্যাট হাতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি বল হাতে মিতব্যয়ী বোলিং করলেও দলকে বড় পরাজয় থেকে রক্ষা করতে পারেননি।
আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় এমআই নিউইয়র্ক। প্রথম ওভারেই গোল্ডেন ডাকের শিকার হন কুইন্টন ডি কক। এরপর মোনাঙ্ক প্যাটেল ১১ ও অধিনায়ক নিকোলাস পুরান ২০ রান করে ফিরলে ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি চাপে পড়ে। একদিকে রানের গতি কমে যায়, অন্যদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দল।
দলের ৩৩ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে আসেন সাকিব। তবে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই তার ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ব্রডি কোচের বলে ফিন অ্যালেনের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে মাত্র ১ রান করে বিদায় নেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় এমআই নিউইয়র্ক। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন করবিন বশ। ইউনিকর্নসের হয়ে ম্যাথু শর্ট চারটি এবং ব্রডি কোচ তিনটি উইকেট শিকার করেন।
ছোট লক্ষ্য রক্ষার চ্যালেঞ্জে বল হাতে শুরুতে দেরিতে আনা হয় সাকিবকে। ইনিংসের অষ্টম ওভারে প্রথমবার আক্রমণে এসে একটি ছক্কাসহ ১১ রান খরচ করেন তিনি। তবে পরের তিন ওভারে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। দশম ওভারে দেন ৫ রান, চতুর্দশ ওভারে ৪ রান এবং নিজের শেষ ওভারে খরচ করেন ৫ রান। চার ওভার শেষে তার বোলিং বিশ্লেষণ ছিল ২৫ রান, কোনো উইকেট নয়।
তবে এমআই নিউইয়র্কের অল্প সংগ্রহের কারণে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ শুরু থেকেই ছিল সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসের হাতে। ফলে সাকিবের মিতব্যয়ী বোলিংও দলের ভাগ্য বদলাতে পারেনি। এখন দেখার বিষয়, এই পারফরম্যান্সের পর এমআই নিউইয়র্কের পরবর্তী ম্যাচেও একাদশে নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেন কি না।










Discussion about this post