আইসিসির বার্ষিক হালনাগাদে বড় কোনো নাটকীয় পরিবর্তন না এলেও বাংলাদেশের জন্য খবরটি ইতিবাচক। সামান্য পয়েন্ট বৃদ্ধি, সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের পতন-এই দুইয়ের সমন্বয়ে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। এখন তারা অবস্থান করছে অষ্টম স্থানে।
লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বাধীন দলটির রেটিং পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ২২৫, যা আগে ছিল ২২৪। এই সামান্য উন্নতিই বড় হয়ে উঠেছে শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট কমে যাওয়ার কারণে। ছয় পয়েন্ট হারিয়ে ২২১-এ নেমে আসা শ্রীলঙ্কা এক ধাপ পিছিয়ে এখন নবম স্থানে। ফলে দুই দলের অবস্থান অদলবদল হয়েছে র্যাঙ্কিং টেবিলে।
আইসিসির এই হালনাগাদে হিসাবের পদ্ধতিতেও রয়েছে নির্দিষ্ট কাঠামো। ২০২৫ সালের মে মাস থেকে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সকে পুরোপুরি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, আর আগের দুই বছরের ফলাফল যোগ হয়েছে অর্ধেক করে। এই গড় হিসাবেই তৈরি হয়েছে নতুন র্যাঙ্কিং চিত্র, যেখানে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রভাব স্পষ্ট।
শীর্ষস্থানে অবশ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত আগের মতোই এক নম্বরে আছে, তাদের পরেই ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ যথাক্রমে চার থেকে সাত নম্বর স্থান ধরে রেখেছে। বাংলাদেশের ঠিক নিচে থাকা আফগানিস্তান ২২০ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে রয়েছে, যা প্রতিযোগিতাকে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলেছে।
শুধু শীর্ষ দশ নয়, মাঝামাঝি সারিতেও কিছু পরিবর্তন চোখে পড়ার মতো। যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি দলকে পেছনে ফেলে ত্রয়োদশ স্থানে উঠে এসেছে। ইতালি ও স্পেনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। অন্যদিকে সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে মোজাম্বিকের, যারা অনেকগুলো ধাপ নিচে নেমে গেছে। এবারের হালনাগাদে মোট র্যাঙ্কিংভুক্ত দলের সংখ্যাও কমিয়ে আনা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতাকে আরও সংক্ষিপ্ত ও মানসম্মত করেছে।
নারীদের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থানে পরিবর্তন না এলেও বাংলাদেশের জন্য সেখানে রয়েছে ইতিবাচক ইঙ্গিত। নিগার সুলতানার নেতৃত্বাধীন দলটির পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১৯৯, যা আগে ছিল ১৯৪। যদিও তারা আগের অবস্থানেই আছে, তবে নবম স্থানের আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ব্যবধান এখন মাত্র এক পয়েন্ট।










Discussion about this post