নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট হাতে ইতিবাচক সূচনা করেও মাঝপথে ধসে পড়েছে বাংলাদেশ। আজ মিরপুরে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেওয়া কিউইদের সিদ্ধান্তে প্রথমে ব্যাট করতে নামে স্বাগতিকরা। শুরুতে সাইফ হাসান ও লিটন দাস আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রান তোলেন, তিন ওভার শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রান সংগ্রহ করে দল।
দ্বিতীয় ওভারে সাইফ হাসানের ব্যাটে আসে দুটি বাউন্ডারি, যা ইনিংসের গতি বাড়াতে সহায়ক হয়। তবে চতুর্থ ওভারের শুরুতেই ভাঙে এই জুটি। জেইডন লেনক্সের বলে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ, ১১ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন তিনি। এরপর ক্রিজে নেমেই লিটন দাস তার স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র তিন বলেই একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে দলের রান বাড়ান।
কিন্তু পঞ্চম ওভারে এসে হঠাৎ করেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। নাথান স্মিথের গতিময় বোলিংয়ে তানজিদ হাসান তামিম বোল্ড হন, পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমন শূন্য রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। তাওহীদ হৃদয় যদিও হ্যাটট্রিক এড়ান, তবে দলকে স্থিতিশীল করার চ্যালেঞ্জে পড়েন তিনি।
পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪৩ রান। ইনিংসের সপ্তম ওভারে গিয়ে আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি। ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল ৫০, লিটন দাস ২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন এবং তাওহীদ হৃদয় ছিলেন ২ রানে।
ম্যাচের আগে থেকেই আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কা ছিল, কারণ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচও বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল। ফলে এই ম্যাচের ভাগ্য নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ একাদশে একটি পরিবর্তন এনে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে ফিরিয়েছে, অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডও দলে দুটি পরিবর্তন করে নতুন সমন্বয়ে মাঠে নেমেছে।










Discussion about this post