বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর নতুন দায়িত্বে এসে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তামিম ইকবাল। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আগের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে অ্যাডহক কমিটি গঠন করার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির দায়িত্ব পান তিনি। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তামিম স্পষ্টভাবে জানান, তার প্রধান লক্ষ্য একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা, পাশাপাশি ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।
বোর্ডের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সিন্ডিকেট ও বাণিজ্যিক অনিয়মের অভিযোগের বিষয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন তামিম। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এখানে কোনো সিন্ডিকেট থাকতে পারবে না। আমার সুবিধা হলো বিসিবিতে আমার কোনো নিজস্ব লোক নেই। আমি একজন ক্রিকেটার থেকে সংগঠক হয়েছি। বিসিবি ছাড়া কাউকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে না।”
রাজস্ব বৃদ্ধিকেও নিজের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রাখছেন নতুন সভাপতি। সাম্প্রতিক সময়ে বিসিবির আর্থিক অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে উল্লেখ করে তামিম বলেন, “বিসিবির রাজস্ব বাড়ানো আমার প্রধান অগ্রাধিকার। গত দেড় বছরে রাজস্বের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। বর্তমানে আইসিসি তহবিল আমাদের টিকিয়ে রাখছে। ভবিষ্যতে দায়িত্ব পেলে টিভি স্বত্ব এবং আন্তর্জাতিক বিপণনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হবে।” তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
স্টেডিয়ামে দর্শক সংকটের বিষয়টিও সামনে এসেছে তার বক্তব্যে। বৈশাখের তীব্র গরমে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ-এর ম্যাচগুলোতে গ্যালারি প্রায় ফাঁকা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তামিম অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা জানান।
তামিম বলেন, “শুরুতে বলি। আমাদের আপনারা জানেন স্টেডিয়ামের যেখানে স্ক্রিন, স্কোরবোর্ড রয়েছে, সেখানে কোনো ছায়ার ব্যবস্থা নেই। প্রত্যেক খেলায় এখানে টিকিটের দাম থাকে সবচেয়ে কম। এই গরমে তারা রোদে প্রচণ্ড পান। ২৭ হাজার বর্গফুটের মতো একটা ছাউনি সেট করে দেব। পুরোটা ছাউনির অধীনে চলে আসবে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ খরচ কমানোর লক্ষ্যে স্টেডিয়ামের ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মাননীয় ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল ভাই এই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। এটি বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।”










Discussion about this post