গাজী আশরাফ হোসেন লিপু জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের পদ ছাড়ছেন। ফলে নতুন প্রধান নির্বাচক নিয়োগ দিতে হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। এই পদে এগিয়ে থাকা নামগুলোর মধ্যে ছিলেন সাবেক নির্বাচক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার।
তবে বিসিবির নতুন এক সিদ্ধান্তে বদলে গেছে পরিস্থিতি। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচক পদের জন্য আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আবেদন চেয়েছে সংস্থাটি। এতেই আপত্তি তুলেছেন বাশার। আগে নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছেন, জাতীয় দলকে নেতৃত্বও দিয়েছেন, এই অভিজ্ঞতার পর নতুন করে আবেদন করে সাক্ষাৎকার দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে তিনি আগ্রহী নন।
সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা বাশার ক্রিকবাজকে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই (আমি সিভি পাঠাব কি না)। আমি বর্তমানে বিসিবিতে কাজ করছি, সেক্ষেত্রে কেন আমাকে আবেদন করতে হবে-এটা বুঝে নেওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’
অন্যদিকে সরাসরি নিয়োগের পথ এড়িয়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন আহ্বান করার কারণও ব্যাখ্যা করেছে বিসিবি। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম মনে করছেন, সম্ভাব্য প্রার্থীদের পরিধি বিস্তৃত করতেই এই উদ্যোগ।
ফাহিম যেমনটা বলছিলেন, ‘আমাদের মাথায় যারা আছেন তাদের বাইরে আরও কেউ যোগ্য থাকতে পারেন এবং সুযোগ পাওয়ার দাবিদার হতে পারেন। আমরা দেখতে চাই তাঁদের সক্ষমতা আছে কি না। এতে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও ন্যায্য হবে।’
ভবিষ্যতেও নির্বাচক প্রয়োজন হতে পারে, এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখছে বোর্ড। আঞ্চলিক পর্যায়, বয়সভিত্তিক দল কিংবা নারী দলের জন্যও অতিরিক্ত নির্বাচক লাগতে পারে বলে মনে করছে বিসিবি।
এ প্রসঙ্গে ফাহিম যোগ করেন, ‘ভবিষ্যতে আমাদের আরও নির্বাচক প্রয়োজন হবে। আঞ্চলিক পর্যায়ে, বয়সভিত্তিক দলে কিংবা নারী দলের জন্যও আরও নির্বাচক লাগবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা সবচেয়ে যোগ্যদেরই নেব। এখানে একাধিক সুযোগ থাকবে। কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি উপযুক্ত, সেটাও একটি দিক। আবার আমরা হয়তো এবার দুজন নেব, তবে এতে আমরা জানতে পারব আমাদের সিস্টেমে আর কারা আছেন এবং কারা আগ্রহী।’










Discussion about this post