২৬ ডিসেম্বর সিলেটে সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নতুন আসর। উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এবারের বিপিএলকে আরও আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উপস্থাপন করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), যার বড় অংশ জুড়েই রয়েছে সম্প্রচার কাঠামোকে নতুন আঙ্গিকে সাজানো।
বিসিবি ইতোমধ্যে তারকাবহুল ধারাভাষ্য প্যানেল গঠন করেছে এবং উপস্থাপিকা হিসেবে নাম ঘোষণা করেছে দুই বিদেশির-পাকিস্তানের জয়নব আব্বাস ও ভারতের রিধিপা পাঠক। বিপিএলের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পরিচিতিমূলক ভিডিও প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধু উপস্থাপনা নয়, জানা গেছে কিছু ম্যাচে জয়নব আব্বাসকেও ধারাভাষ্যে শোনা যেতে পারে।
ধারাভাষ্য প্যানেলকেও সাজানো হয়েছে আন্তর্জাতিক বৈচিত্র্যে। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রমিজ রাজা, ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ড্যারেন গফ, জনপ্রিয় কৌতুকধর্মী ধারাভাষ্যকার ড্যানি মরিসন এবং প্রথমবারের মতো বিপিএলে যুক্ত হতে যাওয়া পাকিস্তানের সাবেক পেস তারকা ওয়াকার ইউনুস এবার মাইক্রোফোনে থাকবেন।
শ্রীলঙ্কার সাবেক গতিময় পেসার, অস্ট্রেলিয়ার জেমি কক্স এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্যামুয়েল বদ্রিকেও দেখা যাবে ধারাভাষ্য দিতে। দেশি ধারাভাষ্যকারদের মধ্যে থাকছেন আতহার আলী খান, শামীম আশরাফ চৌধুরি, মাজহার উদ্দিন অমি ও সমন্বয় ঘোষ। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল জানিয়েছে, আপাতত ১১ জন ধারাভাষ্যকারের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে, যদিও আইএলটি–টোয়েন্টি চলায় শুরুর সিলেট পর্বে সবাইকে পাওয়া নাও যেতে পারে।
এবারই প্রথম বিপিএল আয়োজন করছে ট্রান্স গ্রুপ, এবং তারা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানের সম্প্রচার নিশ্চিত করতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সিলেট থেকে শুরু হয়ে বিপিএল চট্টগ্রাম হয়ে ফিরবে ঢাকায়। মোট ৩৪ ম্যাচের টুর্নামেন্টে সিলেট ও চট্টগ্রাম দু’টি ভেন্যুই পাচ্ছে সমান ১২টি করে ম্যাচ।
বাকি ১০টি ম্যাচ-এলিমিনেটর, দুই কোয়ালিফায়ার ও ফাইনালসহ-হবে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ২৬ ডিসেম্বর সিলেট অধ্যায় শুরুর পর চট্টগ্রাম পর্ব মাঠে গড়াবে ৫ জানুয়ারি, আর ১৬ জানুয়ারি শুরু হবে ঢাকার শেষ ধাপ।
১৯ জানুয়ারি মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে এলিমিনেটর ও প্রথম কোয়ালিফায়ার। একদিন বিরতির পর ২১ জানুয়ারি হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার, আর ২৩ জানুয়ারি জমকালো ফাইনালের মাধ্যমে শেষ হবে বিপিএলের এবারের আসর। এলিমিনেটর, কোয়ালিফায়ার ও ফাইনাল-তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্যই রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।










Discussion about this post