দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠেছেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় এই ব্যাটিং গ্রেটের রেটিং পয়েন্ট এখন ৭৫১, যা শীর্ষে থাকা রোহিত শর্মার থেকে মাত্র ৩৩ পয়েন্ট কম। তিন বছর ধরে শীর্ষে থাকার পর ২০২১ সালে বাবর আজমের কাছে জায়গা হারানোর পর কোহলি আর চূড়ায় ফিরতে পারেননি।
মাঝখানে সেরা দশের বাইরেও নেমে যাওয়া কোহলি সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতায় আবারও দৌড়ে ফিরে এসেছেন। রাঁচিতে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ১৩৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস এবং তার আগের অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে অপরাজিত ৭৪ রান তার অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা রাখে। রোহিত শর্মা ৭৮৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে, আর দুই ও তিনে রয়েছেন যথাক্রমে নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল (৭৬৬) ও আফগানিস্তানের ইব্রাহিম জাদরান (৭৬৪)। একই ম্যাচে ফিফটি বানানো লোকেশ রাহুল দুই ধাপ এগিয়ে এখন চতুর্দশ স্থানে, আর দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাথু ব্রিটস্কি ১৭ ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৩০তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
ওয়ানডের বোলারদের তালিকায় ভারতের বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার কুলদিপ ইয়াদাভ চার উইকেটের সৌজন্যে এক ধাপ উঠে ষষ্ঠ স্থানে উঠেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার নান্দ্রে বার্গারের অগ্রগতি ১০ ধাপ, অবস্থান এখন ৬৪ নম্বরে। তিন উইকেট নেওয়ায় ভারতের হার্শিত রানা ১৯ ধাপ এগিয়ে ৯৩তম স্থানে এবং আর্শদিপ সিং দুই উইকেটে ৯ ধাপ এগিয়ে ৯৫তম স্থানে উঠে এসেছেন। তালিকার শীর্ষে আগের মতোই রয়েছেন আফগানিস্তানের তারকা রাশিদ খান। অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তার সতীর্থ আজমাতউল্লাহ ওমারজাই।
গুয়াহাটিতে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট থেকেও এসেছে বড় ধরনের র্যাঙ্কিং পরিবর্তন। ৪০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে ভারতের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মার্কো ইয়ানসেন পেস বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৬টি উইকেটসহ মোট ৭ উইকেট নিয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা পঞ্চম স্থানে পৌঁছেছেন। স্পিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটসহ ৯ উইকেট পাওয়া সাইমন হার্মার ১৩ ধাপ উন্নতি করে ১১তম স্থানে। বোলারদের তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছেন ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহ, আর ব্যাটসম্যানদের মধ্যে চূড়ায় আছেন ইংল্যান্ডের জো রুট।
ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেনুরান মুথুসামি ১০৯ রানের ইনিংসে ২৮ ধাপ এগিয়ে ৬৩তম স্থানে আছেন। একই ম্যাচে ৯৩ রান করা ইয়ানসেন ২১ ধাপ এগিয়ে ৭৫তম স্থানে, আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৪ রান করা ট্রিস্টান স্টাবস ১৬ ধাপ উঠে এখন ৪৭তম স্থানে। রায়ান রিকেলটন ও টনি ডি জর্জির অগ্রগতি ৫ ধাপ করে, যথাক্রমে অবস্থান ৩৯ ও ৪৫ নম্বরে। ব্যাটে-বলে সমান দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে ম্যাচসেরা ইয়ানসেন অলরাউন্ডারদের তালিকায় ৪ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন, যেখানে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা।
টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশের বোলারদের অবদানও র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিফলিত হয়েছে। সিরিজের শেষ ম্যাচে ১১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে মুস্তাফিজুর রহমান দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন অষ্টম স্থানে, যা বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। শেষ দুই ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়া শেখ মেহেদী তিন ধাপ এগিয়ে ১৪তম স্থানে অবস্থান করছেন।
লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন প্রথম ম্যাচে এক উইকেট ও শেষ ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়ে পাঁচ ধাপ উঠে ১৯তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। নাসুম আহমেদও ৫ ধাপ এগিয়ে ২৫তম স্থানে অবস্থান করছেন। ব্যাটারদের মধ্যে তাওহিদ হৃদয় প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ৮৩ রানে পাঁচ ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৪২তম স্থানে, আর পারভেজ ইমন ২১ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৩৮তম স্থানে উঠে এসেছেন।










Discussion about this post