বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক প্যানেলে আবারও ফেরার কথা ভাবছেন সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তিনি ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০২৪ সালের মার্চে দুই বছরের জন্য তার স্থলাভিষিক্ত হন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে মেয়াদ শেষে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন লিপু। ফলে নতুন প্রধান নির্বাচক খুঁজতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের দল গঠনের স্বার্থে বিসিবি তাকে আরও এক মাস দায়িত্বে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে।
এরই মধ্যে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচক পদের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে বিসিবি। গত রোববার প্রকাশিত সেই বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৮ মার্চের মধ্যে সিভি জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে প্রধান নির্বাচক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন এখনো আবেদন করেননি। তবে দ্রুতই আবেদন করবেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ রফিক, নাঈম ইসলাম, তুষার ইমরান, নাদিফ চৌধুরি, জাভেদ ওমর বেলিম এবং ইলিয়াস সানি নির্বাচক পদের জন্য আবেদন করেছেন বা করবেন বলে জানা গেছে। নতুন মুখ হিসেবে আগ্রহ দেখিয়েছেন শামসুর রহমান শুভসহ আরও কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার।
তবে বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হওয়া সত্ত্বেও জাতীয় দলের নির্বাচক পদে আবেদন করবেন না বলে ইতোমধ্যে স্পষ্ট জানিয়েছেন সাজ্জাদ আহমেদ শিপন।
বিসিবির নির্ধারিত যোগ্যতা অনুযায়ী নির্বাচক হতে হলে প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট মিলিয়ে অন্তত ১০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি বিচারিক ক্ষমতা, দক্ষতা এবং যোগাযোগের সক্ষমতাও থাকতে হবে। নির্বাচকদের মেয়াদ হবে দুই বছর। তাদের দায়িত্ব থাকবে জাতীয় দল ও ‘এ’ দলের খেলোয়াড় নির্বাচন করা এবং পাইপলাইনে থাকা সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের ওপর নজর রাখা।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের জন্য প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। অন্যদিকে গত অক্টোবরে বিসিবির নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচকের পদ ছাড়েন আব্দুর রাজ্জাক।










Discussion about this post