ক্রিকবিডি২৪.কম রিপোর্ট
করোনাকালে ঘরবন্দী ক্রিকেটাররা। তবে বসে নেই তারা। যে যার মতো করে নিজেকে ফিট রাখার চেষ্টা করছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম তাসকিন আহমেদ। এই মুহূর্তে লাইন ও লেন্থ ঠিক করার কাজে মনোযোগ দিচ্ছেন এ পেসার। তবে একই সময় নিজের বোলিংয়ের গতিও বাড়াতে চান তিনি।
তাসকিন মনে করেন যত দ্রুত গতিতে বল করতে পারবেন ততই বিপজ্জনক বোলার হিসেবে ব্যাটসম্যানদের সামনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।
প্রতি ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে বল করতে চান তাসকিন। যদিও তিনি জানেন যে, এমন দ্রুত গতিতে বল করতে হলে নিজের ফিটনেসও সেভাবে ধরে রাখতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন , ‘দ্রুত গতিতে বল করতে পারলে জানি আমি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারব। ক্যারিয়ারের শুরুতে আমি দ্রুত বল করতে পারতাম এবং প্রচুর উইকেটও পেয়েছি। সে সময় সবাই বিশেষ করে মাশরাফি ভাই আমাকে বলতেন সম্ভব দ্রুত বল করতে। আমিও জোরালো বোলিংকে উপভোগ করতাম।’
চোটের কারনে তাসকিনের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়েছিল। তবে গেল ভারত সফরে হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে তাসকিনের বোলিং তোপে পড়ে স্বাগতিক ভারতের নামী দামী ব্যাটসম্যানরা পর্যন্ত খেই হারিয়ে ফেলেন। ওই সিরিজের পর ধারণা করা হয়েছিল তিনি যে কোনো ফরম্যাটেই দলের সেরা বোলার হিসেবে নিজকে বসাতে পারবেন। তবে বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি। আরেক দফার ইনজুরি তাকে দল থেকেই বের করে দেয়। এর পর থেকে ছন্দ ফিরে পাবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান তাসকিন।
২০১৯ বিপিএল চলাকালে কিংবদন্তি পেসার ওয়াকার ইউনুসের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল তাসকিনের। এ সময় তিনি ফের আগ্রাসী মেজাজ ফিরে পান। ফলে জায়গা করে নেন বিশ্বকাপগামী স্কোয়াডে। তবে এরপর আরেক দফার ইনজুরি আরো একবার দলের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে তাসকিনকে, ‘এরপর থেকে আমি অপেক্ষা করছি জাতীয় দলে ফেরার। আমি সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করেছি। মনে হচ্ছে, আমি ফের আমার সেরা ফর্ম ফিরে পাচ্ছি।’
জাতীয় দলে ফিরতে মরিয়া তাসকিন। তাইতো এবার প্রিমিয়ার লিগে চোখ রেখেছিলেন। কিন্তু করোনার কারণে এ টুর্নামেন্ট স্হগিত হয়ে যাওযায় নিজের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেননি এ পেসার। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। এখন তাকিয়ে করোনা পরবর্তী যুগের দিকে।
Discussion about this post