ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা আর বহুমাত্রিক দক্ষতার স্বীকৃতি মিলল সাকিব আল হাসানের। আইপিএলের ইতিহাসে এশিয়ার সেরা অ-ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে উইজডেন, যেখানে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের এই তারকা অলরাউন্ডার। পুরো তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে তার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাকে।
আইপিএলে দীর্ঘ এক দশকের পথচলায় সাকিবের অবদান সংখ্যার বাইরে গিয়েও মূল্যায়িত হয়েছে। ৭১ ম্যাচে ব্যাট হাতে ৭৯৩ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৬৩ উইকেট, যা তাকে এই ফরম্যাটে কার্যকর অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশেষ করে তার নিয়ন্ত্রিত বোলিং দলকে বারবার সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে।
উইজডেনের এই একাদশে শ্রীলঙ্কার আধিপত্য স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ওপেনিংয়ে সনাথ জয়াসুরিয়া ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ-এর আক্রমণাত্মক জুটি, এরপর কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনের অভিজ্ঞতা-ব্যাটিং লাইনআপকে করেছে ভারসাম্যপূর্ণ। এই শক্তিশালী সারির মাঝখানেই পাঁচ নম্বরে রাখা হয়েছে সাকিবকে, যেখানে তার অলরাউন্ড দক্ষতা দলকে পূর্ণতা দেয়।
মধ্যক্রমে আছেন আজহার মেহমুদ ও থিসারা পেরেরা, যারা প্রয়োজনে দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি বল হাতেও অবদান রাখতে পারেন। স্পিন বিভাগে মুত্তিয়া মুরালিধরন ও রশিদ খানের উপস্থিতি একাদশকে আরও শক্তিশালী করেছে। আর পেস আক্রমণে আছেন সোহেল তানভীর ও লাসিথ মালিঙ্গা-যারা আইপিএলের ইতিহাসে নিজেদের ছাপ রেখেছেন।
ইউজডেন আইপিএল অ-ভারতীয় এশিয়ার সেরা একাদশ-
সনাথ জয়াসুরিয়া, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, সাকিব আল হাসান, আজহার মেহমুদ, থিসারা পেরেরা, রশিদ খান, মুত্তিয়া মুরালিধরন, সোহেল তানভীর ও লাসিথ মালিঙ্গা।










Discussion about this post