আশা জাগিয়েও বড় ইনিংসের আক্ষেপ নাঈমের

ncl.jpg

ক্রিকবিডি২৪.কম রিপোর্ট

আল আমিন হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাকের বোলিং তোপ সামলে দলকে টানছিলেন নাঈম ইসলাম। শেষ পর্যন্ত বড় ইনিংস খেলার সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি। এদিকে ব্যর্থ হয়েছেন নাসির হোসেন।

জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম স্তরে খুলনা ও রংপুরের ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুক্রবার পৌনে দুই ঘণ্টা পর শুরু হয় খেলা। দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৬৯ রান করেছে রংপুর। তানবীর হায়দার ৪০ ও সোহরাওয়ার্দী শুভ ৩১ রানে ব্যাট করছেন।

এরআগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই মাইশুকুর রহমান এলবিডব্লিউ হয়ে আল আমিন হোসেনের শিকারে পরিণত হয়। এই পেসার পরে বিদায় করেন আরেক ওপেনার হামিদুল ইসলামকে। তবে মাহমুদুল হাসান থিতু হয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্জাকের স্পিনে বোল্ড হয়ে ফিরেন।

দ্রুত টপ অর্ডার ভেঙে পড়ায় রংপুর বিপদে পড়েছিল। ঠিক সে সময় দলটির হাল ধরেন নাঈম। ৬ চারে ৪৮ রান করা এই ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত থামেন মইনুল ইসলামের শিকার হয়ে। দ্বিতীয় দিনে সেটাই খুলনার শেষ সাফল্য। বাকি সময়ে আর কোনো ক্ষতি হতে দেননি তানবীর ও শুভ। অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেটে তারা গড়েছেন ৪৫ রানের জুটি।

আল আমিন ২ উইকেট নেন ৪৪ রানে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের সফলতম বোলার রাজ্জাক ৫১ রানে নেন ২ উইকেট।

এদিকে জাতীয় লিগের অন্য ম্যাচে চট্টগ্রামকে ২৯০ রানে থামিয়ে দেওয়া মেট্রো দ্বিতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে করেছে ৬৬ রান। শামসুর ২৬ ও মার্শাল ২১ রানে ব্যাট করছেন।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার ৩ উইকেটে ১৪৭ রান নিয়ে খেলতে নামা চট্টগ্রাম দিনের শুরুতেই উইকেট হারায়। আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান পিনাক ঘোষকে কট বিহাইন্ড করে ফিরিয়ে দেন শহিদুল ইসলাম।

মাহিদুল ইসলামের সঙ্গে দ্রুত জমে যায় তাসামুলের জুটি। দুই তরুণের ব্যাটে দুইশ ছাড়ায় চট্টগ্রামের সংগ্রহ। শেষের দিকে রানের জন্য ছটফট করা মাহিদুলের বিদায়ে ভাঙে ৬৭ রানের জুটি। পরে অভিষিক্ত অলরাউন্ডার মাসুম খানের সঙ্গে দলকে ৫ উইকেটে ২৭৫ রানের দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যান তাসামুল। সানির দারুণ এক ডেলিভারিতে মাসুম স্লিপে ধরা পড়লে ভাঙে ৫৭ রানের জুটি। এরপর মাত্র ১৫ রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় তারা। সবকটি উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার সানি।

এদিকে সঙ্গীর ওভারে সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়েছে তাসামুলের। ২৪৯ বলে ৯০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে সাতটি চার মারেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

রংপুর ১ম ইনিংস: ৭২ ওভারে ১৬৯/৫ (মাইশুকুর ০, হামিদুল ১৬, মাহমুদুল ২৭, নাঈম ৪৮, নাসির ৪, তানবীর ৪০*, শুভ ৩১*; আল আমিন ১৭-৭-৪৪-২, রুবেল ১২-২-৩৭-০, জিয়া ৩-১-৪-০, রাজ্জাক ২১-২-৫১-২, সৌম্য ১০-৬-৭-০, নাহিদুল ৫-০-১২-০, মইনুল ৪-১-১৩-১)

চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: (আগের দিন ১৪৭/৩) ১২২.৫ ওভারে ২৯০ (পিনাক ৩২, তাসামুল ৯০, মাহিদুল ৩০, মাসুম ২৭, আফ্রিদি ০, মেহেদি ০, রনি ০, নোমান ০*; শহিদুল ২৪-৫-৫৬-১, মেহরাব ২০-৮-৩৬-০, সৈকত ৭-২-২৩-০, মাহমুদউল্লাহ ২৬-৫-৫৫-৬, সানি ৩৯.৫-১২-৮৭-৬, আল আমিন জুনিয়র ৬-১-১৭-০)

ঢাকা মেট্রো ১ম ইনিংস: ২৪ ওভারে ৬৬/২ (সাদমান ৬, রাকিন ৮, শামসুর ২৬*, মার্শাল ২১*; নোমান ৯-১-২৩-১, রনি ২-১-৪-০, মেহেদি ৭-১-২৩-০, আফ্রিদি ৪-০-১০-০, মাসুম ২-০-৪-০)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *